যুক্তরাষ্ট্র ইসরাইলকে অস্ত্র দেয়া বন্ধ করলেই গাজায় গণহত্যা থামবে। পরাজিত হবে ইসরাইল। ফিলিস্তিনের নিপীড়িত মানুষ পাবে একটি স্বাধীন ভূখণ্ড। গাজায় গণহত্যার প্রতিবাদে মার্কিন দূতাবাস ঘেরাও কর্মসূচিতে এমনটাই বললেন বক্তারা। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে ইসরাইলের পক্ষ ত্যাগ করে ফিলিস্তিনিদের পক্ষে সোচ্চার হবারও আহ্বান জানান তারা।
বৃহস্পতিবার গাজায় গণহত্যা বন্ধ করা ও স্বাধীন দেশ হিসেবে ফিলিস্তিনের স্বীকৃতির দাবিতে ঢাকার রাজপথে মানুষের এই জমায়েত।
বিশেষ কোন দল বা সংগঠনের ব্যানারে নয়। বরং সাধারণ শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কবি-গায়ক ও রাজনীতিবিদসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষ যোগ দেন এই মিছিলে।
গাজায় ইসরাইলের বর্বর হত্যাযজ্ঞ ও মানব সৃষ্ট দুর্ভিক্ষ পরিস্থিতির অবসানের দাবি জানান তারা।
ইসরাইলের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের অন্ধ সমর্থন ও অস্ত্র সাহায্য বন্ধ হলেই কেবল শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব বলেও মনে করেন তারা।
সকাল ১১টার দিকে ফিলিস্তিনের পতাকা ও প্রতিবাদী প্লাকার্ড নিয়ে বাড্ডার সুবাস্তু টাওয়ারের সামনে জড়ো হন কর্মসূচিতে যোগ দেয়া ব্যক্তিরা। পরে মিছিল নিয়ে মার্কিন দূতাবাসের সমানে যেতে চাইলে বাধা দেয় পুলিশ।
পরে মার্কিন দূতাবাসের কাছাকাছি প্রধান সড়কে অবস্থান নেন মিছিলটি। এসময় বাড্ডা সড়কে দেরি হয় তীব্র যানজট। মানুষের ভোগান্তির বিষয় আমলে নিয়ে কর্মসূচি সংক্ষিপ্ত করে আন্দোলনকারীরা।
গাজায় গণহত্যা থামা না পর্যন্ত প্রতিবাদের এমন কর্মসূচি চলবে বলেও জানান আয়োজকরা।
যেভাবে দুর্ঘটনায় পড়ে প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমানটি