টাঙ্গাইল শাড়ির জিআই স্বত্ত্ব নিয়ে চলমান আলোচনার মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বললেন, এই শাড়ি বাংলাদেশের হওয়ায় অন্য কেউ তা নিতে পারবে না।
জার্মানির মিউনিখে তিন দিনের সফরের বিষয়ে শুক্রবার গণভবনে সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। টানা চতুর্থবারের মত সরকার গঠনের পর এটা তার প্রথম সংবাদ সম্মেলন।
এক প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, এটা যে আমাদের, সেটা দেখানোর জন্য আমি কয়েকদিন একটানা শুধু টাঙ্গাইলই পরলাম। এটা আমাদের, কাজেই অন্য কেউ নিতে পারবে না।
সম্প্রতি ভারতের শিল্প মন্ত্রণালয় ‘বাংলার টাঙ্গাইল শাড়ি’ বা ‘টাঙ্গাইল শাড়ি অব বেঙ্গল’ নামে একটি শাড়িকে জিআই স্বীকৃতি দেয়। ওয়ার্ল্ড ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি অর্গানাইজেশনের (ডব্লিউআইপিও) কাছ থেকে অনুমোদনও পেয়ে যায় তারা।
বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হলে বাংলাদেশ সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোও নড়েচড়ে বসে। টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসন গত ছয় ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইল শাড়ির জিআই স্বীকৃতির আবেদন করে। পরে তা অনুমোদন করে গেজেট প্রকাশ করে শিল্প মন্ত্রণালয়ের পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর।
মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের অভিজ্ঞতা জানাতে ডাকা সাংবাদিক সম্মেলনে টাঙ্গাইল শাড়ির স্বত্বের বিষয়টিও আসে।
জামদানি ও টাঙ্গাইলের মতো দেশীয় শাড়ির প্রতি প্রধানমন্ত্রীর অনুরাগের কথা তুলে ধরে এক সাংবাদিক তাকে প্রশ্ন করেন।
জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, পেটেন্ট রাইটসের জন্য আমরা ইতোমধ্যে আবেদন করেছি। আপনারা লক্ষ্য করবেন, কয়দিন আমি সমানতালে টাঙ্গাইল শাড়ি পরলাম এজন্য, যেনো দেখাতে পারি- এটা আমাদের।
এ সময় নিজের পরনের শাড়ি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটা সফিপুর থেকে সংগ্রহ করা। নিজের শাড়িকে ‘সফিপুর শিফন’ নামেও অভিহিত করেন তিনি।
বলেন, এটা আমাদের আনসার-ভিডিপির তৈরি করা। এটার নাম দিলাম ‘সফিপুর শিফন’। সবাই ফ্রেঞ্চ শিফনের প্রশংসা করে। ওরা শাড়ি তৈরি করে, আমি কিনে উপহার দেই। আজ পরে আসলাম।
তিনি জানান, সফিপুরে আনসার-ভিডিপি অ্যাকাডেমিতে একটি অনুষ্ঠানে গিয়ে পরনের শাড়িটি কিনেছেন তিনি।
শেখ হাসিনা বলেন, সফিপুর শিফন… কাজেই এটা বুঝতে হবে, আমি এ দেশের মাটি-মানুষের সাথে আছি। ফ্রান্স থেকে আমি আর পরি না।
গণধোলাই দেওয়া উচিত: শেখ হাসিনা
দেশে রাজনৈতিক দলের অভাব রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী