‘একটা বিপজ্জনক ফাঁদের ভেতরে পড়ে যাচ্ছি আমরা’

আপডেট : ০৭ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৭:৩৩ পিএম

নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক এবং উৎসবমুখর করতে দলীয় মনোনয়নের বাইরে স্বতন্ত্র প্রার্থী ভোটে দাঁড়াতে আওয়ামী লীগের উৎসাহ নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের অন্যতম শরিক জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু।

একাত্তরকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি, আসন বণ্টন ও পরিস্থিতি এবং নির্বাচনের কৌশল নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন সাবেক এই তথ্যমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, আসন্ন নির্বাচনে কৌশল করতে গিয়ে একটা বিপজ্জনক ফাঁদের ভেতরে পড়তে যাচ্ছে রাজনীতি।

স্বতন্ত্র প্রার্থীকে উৎসাহ দেওয়ায় জোট ও দলে বিশৃঙ্খলা তৈরি হওয়ার শঙ্কা দেখছেন তিনি। বিরোধীদের হাতে আরও শক্ত অস্ত্র তুলে দেওয়া হচ্ছে কিনা তা ভাবতে জোটনেতাদের আহ্বান জানিয়েছেন।

কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ছাত্র ইনুর উত্থান ছাত্রলীগের রাজনীতি দিয়ে। মহান মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রনেতা হিসেবে অবদান ছিলো তার। মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী বাংলাদেশে জাতীয় কৃষক লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। পরে একই বছরে জাসদ প্রতিষ্ঠা হলে সেখানে প্রতিষ্ঠাতা সহ-সভাপতি হন। ১৯৮৬ সালে জাসদের সাধারণ সম্পাদক এবং ২০০২ জাসদের সভাপতি নির্বাচিত হন।

আওয়ামী লীগহ নেতৃত্বাধীন রাজনিতক জোট ১৪ দল গঠনে তার ভূমিকা ছিল অগ্রণী। ইনু ২০০৮ সালের নবম, ২০১৪ সালের দশম ও ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৪ দলের প্রার্থী হিসেবে নৌকা মার্কা নিয়ে কুষ্টিয়া-২ আসন (ভেড়ামারা-মিরপুর) থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এই সরকারের প্রথম মেয়াদের একাংশ ও দ্বিতীয় মেয়াদে তথ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি হিসেবে রয়েছেন।

একাত্তর: ১৪ দলীয় জোট আসন ভাগাভাগি নিয়ে বসেছে। ফলাফল কী, আপনারা সন্তুষ্ট কিনা?

হাসানুল হক ইনু: এটা নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। কথা চলছে। এখনই বলা মুশকিল। যার যত আসন আছে, সেখান থেকে একটু বাড়াবে। তবে বাড়ানোর মাত্রা তো ঠিক নাই। যেখানে আছি, সেখান থেকে বাড়লে মনটা খুশি হবে। আমার কর্মীরা খুশি হবে। দল খুশি হবে। জোট শক্তিশালী হবে। আসন বণ্টন যদি সম্মানজনক না হয়, যদি কম আসন পায়, তাহলে ১৪ দলীয় জোটের অভ্যন্তরে এর নীতিগত মেন্টাল ক্ল্যাশ হচ্ছে না। নীতিগত যায়গাটা ঠিক থাকছে। কিন্তু দলে এর প্রভাব পড়ছে। এতটুকু প্রভাব পড়ছে যে, দলের কর্মীরা হতাশ হচ্ছে, নিরুৎসাহিত হচ্ছে এবং মন ভেঙে যাচ্ছে। এই মন ভাঙা কর্মীদের নিয়ে আমরা ১৪ দলীয় জোট; লড়াই করছি বিএনপি-জামায়াত চক্রের বিরুদ্ধে। তাদেরকে রাজনীতির অঙ্গণ থেকে চির বিদায় জানানোর শেষ লড়াইয়ে মুখে দাঁড়িয়ে আছি। এরকম একটা অবস্থায়- নিরুৎসাহিত, হতাশ কর্মী বাহিনী দিয়ে এবং মানসিকভাবে বিধ্বস্ত দল দিয়ে তো এই লড়াইটা চালাতে পারবো না আমরা। আমরা নীতিগত ঐক্য করেছি। কিন্তু আসন ভাগাভাগিতে যদি আমাদের কম আসন দেওয়া হয়, অসম্মানজনক অবস্থানে থাকি আমরা। তাহলে আওয়ামী লীগের পাশে শরিক দল হিসেবে জঙ্গিবাদ, সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে লড়াইটা তো ভালোভাবে চালাতে পারবো না। আমাদের অতটুকু প্রতিনিধি সংসদে থাকা দরকার, মন্ত্রিপরিষদের থাকা দরকার, যাতে দল ও কর্মীরা উৎসাহিত হয় এবং সংসদ জীবন্ত থাকে। লড়াইটা কেবল রাজপথে তো না। সংসদের ভেতরে তো সাম্প্রয়ায়িক, জঙ্গিবাদি দেশি-বিদেশি চক্রের বিরুদ্ধে চরম লাড়াই চালাতে হবে। আগামী দিনগুলোতে যে সঙ্কট আসছে, সেটা মোকাবিলায় ভূমিকা রাখতে হবে। এই লড়াই তো একার লড়াই না, সবার লড়াই। সেই সবার লড়াইয়ে ১৪ দল সংসদে সরব থাকবে, মন্ত্রিপরিষদে অংশগ্রহণ করবে এবং রাজপথেও উৎসাহের সঙ্গে কর্মীরা অংশগ্রহণ করবে।

একাত্তর: শোনা যাচ্ছে, জোটের আসনসহ সব যায়গায় স্বতন্ত্র প্রার্থী থাকবে, তাতে আপনাদের জিতে আসার সম্ভাবনা কতটুকু বা এটাকে আপনারা কীভাবে দেখছেন?

হাসানুল হক ইনু: আপনি আসন দিচ্ছেন, আমরা খুশি হলাম। পরে দেখি, আওয়ামী লীগের অনেক বড় নেতা স্বতন্ত্রের নামে সেখানে লড়াই করছে। আওয়ামী লীগ বনাম জাসদ, আওয়ামী লীগ বনাম ওয়ার্কার্স পার্টি বা আওয়ামী লীগ বনাম তরিকত ফেডারেশন হয়ে যাচ্ছে। তাহলে আমাদের জোটের যে নীতি, সেই নীতি তো মার খাচ্ছে এই নির্বাচনে। এটা অরুচিকর ব্যাপার। আসন দেওয়ার পরেও আওয়ামী লীগের বড় নেতারা সেখানে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়াই করবে, তাহলে আসনটা দেওয়া হলো না। এটা প্রোপার হলো না কিন্তু। আমি আশা করি, জোটনেত্রী শেখ হাসিনা ও জোটের সমন্বয়ক; তারা এই বিষয়গুলো বিবেচনা করবেন।

একাত্তর: ৩১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী নেই। সেখানে নৌকা মনোনীত প্রার্থী হলো- মন্ত্রিপরিষদের সদস্য বা আওয়ামী লীগের নেতা। এটা আপনি কীভাবে দেখছেন?

হাসানুল হক ইনু: বর্তমানে মন্ত্রী পর্যায়ে শীর্ষ ৩১ নেতার বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের বড় ধরনের কোনো স্বতন্ত্র প্রার্থী দাঁড়ায়নি। তাই যদি হয়, তাহলে জোটের আসনে আওয়ামী লীগের বড় নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দাঁড়ানোর অর্থ হচ্ছে, এক হাতে দিয়ে আরেক হাতে সিটটা কেড়ে নেওয়া। এটা তো অরুচিকর এবং অসম্মানজনক ব্যাপার একটা। জোটকে সম্মানিত করতে হলে আমাদের মতো দলকে পৃষ্ঠপোষকতা দরকার। একই দলের কয়েকজন প্রার্থী; একজন মনোনীত, বাকি চারজন স্বতন্ত্র প্রার্থী। ভোট কিন্তু ভাগ হবে।

একাত্তর: একটি আসনে কয়েকজন স্বতন্ত্র প্রার্থী থাকায়, এটি বুমেরাং হতে পারে, মনে করেন কিনা?

হাসানুল হক ইনু: এটা নিয়ে পুনর্মূল্যায়ন করা উচিত। দলীয় প্রার্থী প্রতীকে নিয়ে লড়াই করবে, একই দলের স্বতন্ত্র প্রার্থীরা যখন পাল্টা লড়াই করবে, সেখানে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ হবে। দল দীর্ঘদিনের জন্য ভাগাভাগিতে পড়ে যাবে। এটা রাজনৈতিক রুচিরও বাইরে। আমি মনে করি, এটাকে উৎসাহিত করার দরকার নেই। এখনও সময় আছে, ১৭ তারিখের আগে প্রত্যাহার করার। আওয়ামী লীগের বড় নেতারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে যে লড়াই করছে, এই লড়াইটা সে দলের জন্য কতটুকু মঙ্গল বয়ে আনবে আমি জানি না। তবে আমি পরিষ্কারভাবে বলতে চাই, জোটের প্রার্থীদের এখানে আওয়ামী লীগের বড় কোনো নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী নামে লড়াই করার মানে হচ্ছে- অন্য নামে আওয়ামী লীগ বনাম জাসদের লড়াই বা অন্য নামে আওয়ামী লীগ বনাম ওয়ার্কার্স পার্টির লড়াই। এই লড়াইয়ের ভেতরে জোটকে ঠেলে দিলে জোটের লক্ষ্য ও নীতিগত অবস্থান ম্লান হয়ে যায়। এই মুহুর্তে এই রাজনৈতিক বিতর্কের ভেতরে আমাদের জোটকে ঠেলে দেওয়া উচিত হবে না। সূতরাং আমি আশা করবো, আওয়ামী লীগের যারা নেতা, তারা যেনো জোটের প্রার্থীদের ছেড়ে দেওয়া আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে না থাকে। এরআগেও তো বিভিন্ন নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিল। যদিও সে সময় দল থেকে বহিষ্কার বা দল থেকে ব্যবস্থা নিয়েছে।

একাত্তর: এখন তো বিএনপিসহ কয়েকটি দল নির্বাচনে আসেনি। এই অবস্থায় স্বতন্ত্র প্রার্থী ছাড়া আওয়ামী লীগের কী করার আছে?

হাসানুল হক ইনু: অতীতে সব সময় দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষা জন্যে আমার দল জাসদ, আওয়ামী লীগ বা সব দলেই দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিয়েছে। কথা হচ্ছে- এই নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াত নাই। সেখানে এক দলের পাঁচজন দাঁড় করিয়ে দেশি-বিদেশিদের কাছে কী খবর দিতে চাচ্ছি আমরা? এটা তো দিনের আলোর মতো- বিএনপি-জামায়াত বাইরে, আমরা ভোট করছি। সূতরাং একই দলের ১০ জন দাঁড়ালে নির্বাচন নিয়ে কী খবর যাচ্ছে? কোনো নতুন খবর তো যাচ্ছে না। সুতরাং এটা নিয়ে রাজনৈতিকভাবে আমি মনে করি না, আমরা খুব বেশি কিছু হাসিল করতে পারবো। বরং উল্টো দিকে, জোটের ভেতরে বিশৃঙ্খলা হবে এবং দলের ভেতরে বিশৃঙ্খলা হবে। এই দুটো বিশৃঙ্খলার দিকে দেশকে ঠেলে দিচ্ছি, রাজনৈতিক অঙ্গনটাকে ঠেলে দিচ্ছি। রাজনৈতিকভাবে আমি মনে করি না, এই স্বতন্ত্র কৌশলে লাভের কিছু আছে। আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো- যেখানে আওয়ামী লীগের বড় নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িয়ে নৌকার প্রার্থীর কাছে পরাজিত হচ্ছেন, তিনি একটা সাংবাদিক সম্মেলন করে বলবেন, ভোট টা সঠিক হয়নি। অন্য পার্টি আঙুল তোলার আগেই নামকরা আওয়ামী লীগ নেতারা আঙুল তুলবেন যে, ভোটটা বেঠিক হয়েছে। তাহলে আমরা দেশি-বিদেশি চক্রান্তকারীদের হাতে সেই হাতিয়ারটা তুলে দিচ্ছি যে, স্বয়ং আওয়ামী লীগ নেতারাই তো বলছে, ভোটটা সঠিক হয়নি। সুতরাং একটা বিপজ্জনক ফাঁদের ভেতরে পড়ে যাচ্ছি আমরা। আপনি হয়ত বলবেন, ঠিক আছে প্রতিযোগিতা হচ্ছে। কিন্তু দিনের শেষে যখন এই অভিযোগটা উত্থাপন করে বসবে অথবা নৌকার প্রার্থী যিনি স্বতন্ত্রের কাছে পরাজিত হবেন, তিনিও বলবেন ভোটটা সঠিক হয়নি। তখন তো সেই বিএনপি-জামায়াতের সুরেই কথাটা আসলো যে, এই আমলে ভোটটা সঠিক হয় না। আমি মনে করি, সব দিক থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রস্তাবটা রাজনৈতিক ফাঁদের মতো মনে হচ্ছে, যা এই নির্বাচনকে বৈধতা দিতে কতটুকু উপকার করবে জানি না। তবে বিপদের ভেতরে ঠেলে দিতে পারে। সুতরাং একই দলের স্বতন্ত্র প্রার্থীদের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা দরকার। আমি চাই না, আগামী নির্বাচনে ওয়ার্কার্স বনাম আওয়ামী লীগ বা আওয়ামী লীগ বনাম জাসদে রাজনৈতিক লড়াই পত্রিকায় ভেসে উঠুক।

একাত্তর: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেছেন, কেউ যদি ইলেকটেবল না হয়, তাহলে তাকে মনোনয়ন দিলে তো আমাদেরই লস। জোটের একটা সিট হারালো! আপনি কী বলবেন?

হাসানুল হক ইনু: দেখুন, আমি কোনো নির্মম কথা বলতে চাই না। আমাদের জোটের শরিক দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বীর মুক্তিযোদ্ধা, সম্মানীয়, অত্যন্ত পোড় খাওয়া রাজনীতিবিদ। আমি তার প্রতি সম্মান রেখেই বলবো- দীর্ঘ নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় আওয়ামী লীগ, জাসদসহ আমরা যারা মনোনয়ন দিই। সেই মনোনয়ন দেওয়ার পরে সবাই জেতে না। আমরা যখন মনোনয়ন বোর্ডে বসি, তখন তো ধরে নিই, সে জিতবে। কিন্তু ৯১ সালের পরে যতগুলো নির্বাচন হয়েছে, সেগুলো যদি দেখেন। আওয়ামী লীগ একবার সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়েছে, আবার এমনও হয়েছে একশ’র নিচে বিজয়ী হয়েছে, আড়াইশো হেরে গেছে। মনোনয়ন যিনি দিলেন, তিনি তো ধরেই নিছেন, ইলেক্টেবল ক্যান্ডিডেট। তাহলে মনোনয়ন দাতা ভুল করলেন, নাকি প্রার্থী ভুল করলেন? সূতরাং এই যে কথাটা (তিনি বললেন) রাজনৈতিকভাবে আমার মনে হয়, সমীচীন না। ভালো প্রার্থী দিয়েছি, সে বিজয়ী হবে, তার নিশ্চয়তা আজ পর্যন্ত কোনো কোনো মনোনয়ন বোর্ড দিতে পারেনি। কারণ, বহু নামকরা প্রার্থী মনোনয়ন বোর্ড দেওয়ার পরও হেরে গেছে। এবারও আওয়ামী লীগ যাদের মনোনয়ন দিয়েছে, তার সবাই কি জিতবে? স্বতন্ত্র প্রার্থী কয়েকজনের কাছে হারবে না? তাহলে কী সে ইলেক্টেবল ক্যান্ডিডেট না? সূতরাং এটা বলে ঠেস মারা ঠিক নয়। জোটের প্রার্থী ইলেক্টেবল কিনা, সেটা আলাদা কথা। নৌকা মার্কা বাদ দিয়ে ভোট করে দেখেন কেমন লাগে!

একাত্তর- স্বতন্ত্র প্রার্থী দাঁড়াতে যারা প্রথমবার নির্বাচন করবে তাদের ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থন লাগবে, এই ভোটারের নাম আইডিসহ স্বাক্ষর নিয়ে জমা দিতে হয়। এটা কতটা সংবিধান সম্মত?

হাসানুল হক ইনু: এই ইস্যুটা কতটা রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে? শতকরা ১ ভাগের প্রস্তাবের এই আইনটা ১/১১ এর সময়ে করা হয়েছিলো। এই আইনটা পুনর্বিবেচনা করা হয়নি। যেকোনো প্রার্থী যদি দলের মনোনয়ন পেলেই দাঁড়াতে পারে, দলের বাইরের একজন ব্যক্তি কেনো পারবে না? সংবিধানে বলা আছে, ২৫ বছরের বয়সী নাগরিক সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্যতা রাখে, যদি তিনি পাগল বা সাজাপ্রাপ্ত আসামি না হন। এখন তো আর সময় নেই। তবে আগামীতে যারা আসবে, আমার মনে হয় আইনটা নির্বাচন কমিশনের পুনর্বিবেচনা করা উচিত।

কেএসএইচ
জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনুর বিরুদ্ধে হত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণ ২১ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। 
শুরু হয়েছে বিএনপির বর্ধিত সভা। ভোটের ভাবনা মাথায় রেখে তৃণমূল আর কেন্দ্রের নেতাদের নিয়ে দীর্ঘ সাত বছর পর এ সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সারাদেশ থেকে আসা প্রতিনিধিদের মধ্যে এ নিয়ে সকাল থেকেই ব্যাপক...
১৪ দলের নেতাদের নিয়ে বৈঠকে বসছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। 
যারা রাষ্ট্রীয় স্থাপনায় ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে তাদের খুঁজে বের করে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি করেছে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোট।
হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় (সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা) সারাদেশে আরও চারজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছেন এক হাজার আটজন।
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বহুদলীয় গণতন্ত্র এবং মুক্তকণ্ঠে কথা বলার অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই বিএনপির জন্ম হয়েছে এবং দলের...
২০২৭ সালের হজযাত্রীদের জন্য সরকারি ও বেসরকারি হজ প্যাকেজ ঘোষণা করেছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
সম্প্রতি শেষ হওয়া আন্তর্জাতিক ফুটবল টুর্নামেন্টকে ঘিরে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান শাওমি বাংলাদেশে তাদের স্মার্ট টিভি সিরিজের বিক্রিতে ও ক্রেতাদের আগ্রহে ব্যাপক সাড়া পেয়েছে।
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর