ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে নতুন করে সেজেছে পর্যটন শহর রাঙ্গামাটি। পর্যটকদের বরণ করতে প্রস্তুত জেলার আবাসিক হোটেল, মোটেল, রেস্টুরেন্ট, পর্যটন কেন্দ্র ও রিসোর্টগুলো।
ঈদের টানা ৬ দিনের ছুটি থাকলেও এবার রাঙ্গামাটিতে আশানুরূপ পর্যটকের সারা পাওয়া যায়নি। হোটেলে নেই আগাম কোনো বুকিং। অধিকাংশ রুম খালি পড়ে আছে। এ নিয়ে হতাশায় পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।
করোনা মহামারির দুই বছর পর এবছর সারা দেশে জমে উঠেছে ঈদের আমেজ। সাপ্তাহিক ছুটি মিলে এবার ঈদে টানা ছয়দিনের ছুটি। তাই ঈদ আনন্দে বাধ ভাঙা জোয়ার। ঈদের ছুটিতে ভ্রমণ পিপাসু মানুষ ছুটে যাবে পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে। তাই দেশের অন্যতম পর্যটন শহর রাঙ্গামাটিও পর্যটক বরণে নতুন করে সেজেছে। প্রস্তুত পর্যটন কেন্দ্র, আবাসিক হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট ও রেস্তোরাগুলো।
কিন্তু এবার টানা ৬ দিন ছুটি থাকলেও রাঙ্গামাটিতে পর্যটকের আগাম কোন সাড়া পড়েনি। আবাসিক হোটেল মালিকরা জানান এবার হোটেলে আগাম তেমন কোন বুকিং নেই। অধিকাংশ রুম খালি পড়ে আছে।
রাঙামাটিতে পর্যটনের আকর্ষণীয় স্পটের মধ্যে রয়েছে, পর্যটনের ঝুলন্ত সেতু, শুভলং ঝর্না, পলওয়েল, রাজ বন বিহার, জেলা প্রশাসনের বাংলো, আসামবস্তি-কাপ্তাই সড়কের কাপ্তাই হ্রদের গড়ে উঠা বেসরকারি পর্যটন বেরান্নে, বড়গাঙ, রান্ন্যাতুগুন এবং আদিবাসী শান্ত সবুজ গ্রাম ও তাদের জীবনযাত্রা।

এছাড়াও রাঙামাটি শহরের বাইরে বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেকের মনোরম পর্যটন স্পট, কাপ্তাই উপজেলায় কর্ণফুলী নদীর তীরে গড়ে উঠা আকর্ষণীয় পর্যটন স্পট, কাপ্তাই জল বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র, কর্ণফুলী পেপার মিলস্ ও কাপ্তাই জাতীয় উদ্যান ইত্যাদি।
আরও পড়ুন: মা-বাবার পাশে চিরনিদ্রায় মুহিত
করোনা মহামারির কারণে গেল দুই বছর ঈদ মৌসুমে মার খায় রাঙামাটির পর্যটন ব্যবসা। কিন্তু এবার আশায় বুক বাধলেও আশানুরূপ সারা না পাওয়ায় হতাশ সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।
রাঙ্গামাটি সরকারী পর্যটন হলিডে কমপ্লেক্সের ম্যানেজার সৃজন বিকাশ বড়ুয়া জানান, খরা মৌসুম আর স্কুল কলেজ খোলা থাকার কারণে এবার পর্যটক আগমনে কিছুটা ভাটা পড়েছে।
একাত্তর/আরএ
