কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন (কুসিক) নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে। তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই নির্বাচনের দিকে সবার দৃষ্টি রয়েছে। কারণ দায়িত্ব নেওয়ার পর কাজী হাবিবুল আউয়াল কমিশনের প্রথম নির্বাচন এটি।
বুধবার (১৫ জুন) সকাল ৮টায় এ ভোটগ্রহণ শুরু হয়। চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।
প্রথমবার স্বতন্ত্র ও পরের বার বিএনপি দলীয় প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত মনিরুল হক সাক্কু এবার স্বতন্ত্র ব্যানারে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রার্থী আরফানুল হক রিফাতের এটি প্রথম নির্বাচন।
এক নজরে কুমিল্লা সিটি নির্বাচন
ভোটার: ২ লাখ ২৯ হাজার ৯২০ জন (পুরুষ ১,১২,৮২৬; নারী ১,১৭,০৯২ এবং হিজড়া ২)।
ওয়ার্ড: ২৭টি সাধারণ, ৯টি সংরক্ষিত।
ভোটকেন্দ্রে: ১০৫টি কেন্দ্রের ৬৪০টি ভোট কক্ষে হবে ভোটগ্রহণ।
প্রার্থী: মেয়র পদে ৫ জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১০৬ জন এবং সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৩৬ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
আইন শৃঙ্খলা রক্ষা
প্রতি কেন্দ্রে রয়েছেন ১৫-১৬ জন নিরাপত্তা সদস্য। পুলিশ, এপিবিএন, ব্যাটালিয়ন আনসার সদস্য নিয়ে গঠিত মোবাইল ফোর্স রয়েছে প্রতিটি সাধারণ ওয়ার্ডে।
প্রতি তিন ওয়ার্ডে একটি করে নয়টি স্ট্রাইকিং ফোর্স রাখা হয়েছে। রিজার্ভ ফোর্স দুইটি।
আরও পড়ুন: কুমিল্লায় ভোট কেনাবেচার অভিযোগে যুবক আটক
র্যাবের ২৭টি টিম ও বিজিবির ১২ প্লাটুন (প্রতি প্লাটুনে ২৫ জন) সদস্য নিয়োজিত রয়েছে ভোটের মাঠে।
২৭ জন নির্বাহী হাকিম এবং ৯ জন বিচারিক হাকিম রয়েছেন ভোটের মাঠে।
আগের ইতিহাস
দুটি পৌরসভা নিয়ে ২০১১ সালের জুলাই মাসে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন গঠিত হওয়ার পর দুটি নির্বাচন হয়েছে। দশ বছর আগে প্রথম নির্বাচনে নির্দলীয় প্রতীকে ভোট হলেও ২০১৭ সালে দলীয় প্রতীকে মেয়র নির্বাচন হয়। দুই নির্বাচনেই ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীকে পরাজিত করে বিএনপির প্রার্থী জয়ী হন।
২০১৭ সালের ৩০ মার্চ কুমিল্লা সিটিতে সর্বশেষ ভোট হয়েছিল। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি দায়িত্ব নেওয়ার পর ১৭ মে প্রথম সভা হয়। তাদের পাঁচ বছর মেয়াদ পূর্ণ হয় এ বছরের ১৬ মে।
একাত্তর/আরএ
