বাড়ি ফেরার দাবিতে রোহিঙ্গাদের মিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ

আপডেট : ১৯ জুন ২০২২, ০৬:২৮ পিএম

মিয়ানমারে ফিরে যাবার দাবিতে ‘গো ব্যাক হোম’ স্লোগানে উখিয়া-টেকনাফের ৩৪টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মিছিল ও শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করেছে রোহিঙ্গারা। 

হাজার হাজার রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ এই বিক্ষোভ-সমাবেশ ও মিছিল থেকে তাদের প্রত্যাবাসনের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। 

গত কয়েকদিন ধরেই রোহিঙ্গারা ‘বাড়ি চলো’ স্লোগানে এই কর্মসূচির প্রচার চালিয়ে আসছিল। তারা ক্যাম্পে ক্যাম্পে দুটি প্রচারপত্র বিলি করছিল বলে জানিয়েছে এপিবিএন।

একটি প্রচারপত্রের শেষে প্রচারকারী হিসেবে ‘আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটসের’ সদস্য ডা. তৈয়ব ও মো. রেজার নাম রয়েছে।

রোববার সকাল ১০টায় কুতুপালং লম্বাশিয়া ক্যাম্পে মিছিল নিয়ে জড়ো হতে থাকেন রোহিঙ্গারা। সেই মিছিলে সমবেত কণ্ঠে ছিলো দেশের ফেরার আকুতি।

আন্তর্জাতিক শরণার্থী দিবসের আগের দিন এই মিছিলে রোহিঙ্গারা জানান, শরণার্থী জীবন নিয়ে তারা বেঁচে থাকতে চান না। টেকসই প্রত্যাবসনের মধ্য দিয়ে আপন ঠিকানায় ফিরতে চান।

রোহিঙ্গারা তাদের মাতৃভাষায় ও ইংরেজিতে ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে সমাবেশ যোগ দেয়। এসবে লেখা ছিলো ‘চল চলো বাড়ি যাই, চলো মায়ানমারে যাই’ শ্লোগানে বাড়ি ফেরার আকুতি।

বিক্ষোভ মিছিল ক্যাম্প ২৭ নম্বর থেকে শুরু হয়ে ক্যাম্পের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে ২৬ নম্বর ক্যাম্প ইনচার্জ (সিআইসি) অফিস চত্বরে এসে শেষ হয়।

পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় রোহিঙ্গা নেতারা দেশে দেশে মানবিক সংকটের মধ্যে রোহিঙ্গা সংকট যেন হারিয়ে না যায় সেই অনুরোধও করেন।

সমাবেশে ২৭ নম্বর ক্যাম্পের মাস্টার ফায়সাল লিখিত বক্তব্যে বলেন, রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের নির্যাতিত মুসলিম। এখন জোরপূর্বক রাষ্ট্রহীন মানুষ। 

২০১৭ সালের দেশত্যাগের পর পাঁচ বছর কেটে গেছে। আর কতদিন গৃহহীন থাকব? আমরা গৃহহীন থাকতে চাই না। আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম নিয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। 

স্বদেশ মিয়ানমার নিজেদের মাতৃভূমি আরাকানে ফিরে যেতে চাই এবং সেখানে যথাযথ অধিকার নিয়ে নাগরিক হিসেবে বসবাস করতে চাই।

রোহিঙ্গারা দীর্ঘকাল মিয়ানমারে নিপীড়নের শিকার হয়ে আসছে। ১৯৭৮ সাল থেকে রোহিঙ্গারা  নির্যাতিত, ধর্ষণ, হত্যার শিকার। বিভিন্ন সময়ে গ্রাম ও ঘর পুড়িয়ে ছাই করে দেয়া হয়েছে।

মানবিক ভিত্তিতে আশ্রয় দেওয়ার জন্য বাংলাদেশে প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে মাস্টার ফায়সাল বলেন, কিন্তু বাংলাদেশ আমাদের দেশ নয়। আমরা মাতৃভূমি মিয়ানমারে ফিরে যেতে চাই।

আরও পড়ুন: ইভিএম নিয়ে কারো ওপর মতামত চাপিয়ে দেবো না: সিইসি

রোহিঙ্গাদের এই কর্মসূচিকে ঘিরে উখিয়া ও টেকনাফে সকাল থেকেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

সমাবেশ শেষে বাংলাদেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও দেশে ফিরে যেতে দুই হাত তুলে প্রার্থনা করেন সমাবেশে অংশ নেয়া রোহিঙ্গারা।

এর আগে ২০১৯ সালের ২৫ অগাস্ট প্রথমবার সমাবেশ করে রোহিঙ্গারা। সেই সমাবেশের নেতৃত্ব রোহিঙ্গা নেতা মোহাম্মদ মুহিবুল্লাহ। ২০২১ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর তাকে হত্যা করা হয়।


একাত্তর/এসি

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের বালিয়াড়িতে সুগন্ধা পয়েন্ট থেকে সাইমন ব্রিজ পর্যন্ত সব ধরনের স্থাপনা নির্মাণকাজ আট সপ্তাহের জন্য বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। একই সঙ্গে আদালত এ বিষয়ে রুল জারি করেছেন।
কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে গোসল করতে নেমে স্রোতের টানে ভেসে গিয়ে এক পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও একজন নিখোঁজ রয়েছেন।
কক্সবাজারের টেকনাফে আলাদা যৌথ ও বিশেষ অভিযান চালিয়ে একটি বিদেশি জি-৩ রাইফেল, পাঁচ হাজার পিস ইয়াবাসহ আগ্নেয়াস্ত্র, গোলাবারুদ ও দেশীয় মদ উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ও পুলিশ।
কক্সবাজারের টেকনাফে মিয়ানমার থেকে নাফ নদী পেরিয়ে বাংলাদেশে অবৈধভাবে প্রবেশের পর বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ মিয়ানমারের দুই নাগরিককে আটক করেছে র‍্যাব-১৫। 
বিশ্বকাপ ফুটবলের মঞ্চে আলো ছড়ানো খেলোয়াড়দের ঘিরে বিশ্বজুড়ে সদ্য সমাপ্ত মধ্য বছরের ট্রান্সফার উইন্ডোতে রেকর্ড বাণিজ্য হয়েছে। ফুটবল সংস্থা ফিফা বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, ২০২৬ সালের আন্তর্জাতিক এই...
প্রাকৃতিক আবহাওয়াগত প্রক্রিয়া হিসাবে পরিচিত 'এল নিনো'র প্রভাব বিশ্বজুড়ে দৃশ্যমান হতে শুরু করায় পৃথিবী চরম আবহাওয়ার এক বিপজ্জনক অঞ্চলে প্রবেশ করেছে বলে সতর্কবার্তা দিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব...
গভীর ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা ও বৈশ্বিক উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডা থেকে শত শত কোটি ডলার সমমূল্যের স্বর্ণের রিজার্ভ যুক্তরাজ্যে সরিয়ে নিয়েছে নেদারল্যান্ডস। বুধবার ডাচ সেন্ট্রাল ব্যাংক...
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আরাধ্য ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মতিথি ও জন্মাষ্টমী শুক্রবার। ন্যায়নীতি, সত্য ও সুন্দরকে প্রতিষ্ঠা এবং দুষ্টের দমন করে মানবজাতির কল্যাণের লক্ষ্যে ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের এই...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর