বরিশালে নির্বাচন অফিসের এক ডাটা এন্ট্রি অপারেটরের বিরুদ্ধে জাতীয় পরিচয়পত্রের অনলাইন কপি সংগ্রহে অতিরিক্ত টাকা দাবির অভিযোগ পাওয়া গেছে। তার বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ, দাবি করা অতিরিক্ত টাকা না দেওয়ায় তিনি এক শিক্ষার্থীর এনআইডির অনলাইন কপি ছিঁড়ে ফেলেছেন। পরে ওই শিক্ষার্থী ইউএনও এবং উপজেলা নির্বাচন অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন।
রোববার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে জেলার আগৈলঝাড়া উপজেলা পরিষদের নির্বাচন অফিসে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত ডাটা এন্ট্রি অপারেটরের নাম এস এম ইমরান হোসেন। তিনি ওই অফিসে ডাটা এন্ট্রি অপারেটর হিসেবে কর্মরত আছেন।
অভিযোগকারী নাম মো. লিমন শিকদার (১৮)। তিনি উপজেলার বাকাল ইউনিয়নের যবসেন গ্রামের বাসিন্দা এবং বরগুনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ইলেক্ট্রনিক্স বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র।
অভিযোগে জানা যায়, ২০১৯ সালে ভোটার হওয়ায় এখন পর্যন্ত জাতীয় পরিচয়পত্র পাননি লিমন। সম্প্রতি রশিদ হারিয়ে যাওয়ায় তিনি রোববার দুপুরে আগৈলঝাড়া উপজেলা নির্বাচন অফিসে এনআইডি’র অনলাইন কপি তুলতে যান।
তার অভিযোগ, এ সময় নির্বাচন অফিসের ডাটা-এন্ট্রি অপারেটর এস এম ইমরান হোসেন এআইডি’র অনলাইন কপি প্রিন্ট দিয়ে সিল মেরে সরকারি ফি ২৩০ টাকার বদলে ৫০০ টাকা দাবি করেন। সেই টাকা দিতে রাজি না হলে উত্তেজিত হয়ে ইমরান অনলাইন কপিটি ছিঁড়ে ফেলেন।
অভিযোগে তিনি জানান, অনলাইন কপি ছিঁড়ে ফেলার পরও নতুন করে অনলাইন কপি চাওয়ায় অফিস থেকে ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া হয়।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত এস এম ইমরান হোসেন বলেন, ব্যাংকে টাকা জমা না দেওয়ার জন্য ওই এনআইডি’র অনলাইন কপি ছিরে ফেলা হয়েছে। তবে সরকারি ফি এর চেয়ে অতিরিক্ত টাকা চাওয়া হয়নি।
আরও পড়ুন: বরযাত্রীবাহী মাইক্রোবাসে ট্রাকের ধাক্কা, আহত ১৯
এ বিষয়ে আগৈলঝাড়া উপজেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মাদ সাইফুল ইসলাম বলেন, ডাটা-এন্ট্রি অপারেটর এস এম ইমরানের বিরুদ্ধে সরকারি ফি’র অতিরিক্ত টাকা চাওয়ার লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। এ ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, বিষয়টি জানতে পেরে তাৎক্ষণিক ওই কলেজছাত্রের এনআইডি’র অনলাইন কপি প্রিন্ট করে দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগটি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একাত্তর/এসি
