টিকটক, ভিগো, লাইকি আর স্ট্রিম কারের মতো বিতর্কিত অ্যাপ বন্ধ করতে প্রয়োজনে মামলা করা হবে জানিয়েছেন সিআইডি প্রধান ব্যারিস্টার মাহবুবুর রহমান।
তিনি আরো জানান, এসব অ্যাপ ব্যবহার করে নারী পাচার ও অশ্লীলতার মতো অপরাধ ছড়ানো হচ্ছে যা নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাজ করছে বলে জানান তিনি।
টিকটকের আড়ালে নারী পাচারের অভিযোগে একেরপর এক গ্রেপ্তার হচ্ছে অপরাধীরা। বাংলাদেশ থেকে পাচার তরুণী ধর্ষণের ঘটনায় এরই মধ্যে ভারতের বেঙ্গালুরু পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছে টিকটক হৃদয়সহ ছয় জন। এদের সবাই একটি চক্রের সদস্য।
সিআইডি প্রধান জানান, টিকটক লাইকি আর স্ট্রিম কারের মতো অ্যাপগুলো নিছক বিনোদনের আড়ালে বেশ কিছু চক্রের অপরাধের হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে।
যেমন টিকটিকের জনপ্রিয় তারকা বানানোর ফাঁদে ফেলে ভারতে ও দুবাইয়ে অসংখ্য নারী পাচার করেছে অপরাধীরা। আর প্রতিদিনই বাড়ছে এই অপরাধের পরিধি।
উঠতি বয়সী কিশোরী-তরুণীদের মডেল বা স্টার বানানোর লোভ দেখিয়েই চলছে এই কর্মকাণ্ড। তাই বিভিন্ন অ্যাপ আশ্রয় করে ঘটা এসব অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে সিআইডি।
ব্যারিস্টার মাহবুবুর রহমান বলেন, “অনেকগুলো সংস্থা মিলে একসাথে কাজ করলেই এসব অ্যাপ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। প্রয়োজনে আমরা আদালতের কাছে যাবো”।
তিনি আরো জানান, শুধু আইনশৃংখলা বাহিনীর একার পক্ষে এসব অ্যাপের অপব্যবহার বন্ধ করা সম্ভব নয়। সব অভিভাবককে সন্তানের মোবাইল ফোনের ওপর নজরদারি রাখতে হবে।
একাত্তর/এআর
