প্রাক-বাজেট সাক্ষাৎকারে সিপিডি’র অর্থনীতিবিদ

থিংকট্যাংকের সমালোচনার ক্ষেত্রে সরকারকে উদার হতে হবে: ড. মোস্তাফিজ

আপডেট : ৩০ মে ২০২৩, ০৫:৫৯ পিএম

বেতনভুক্ত বা স্থির মানুষের আয় মূল্যস্ফীতি হিসেবে বাড়ছে না বলে তাদের জীবন অসহনীয় হয়ে উঠছে। অর্থনীতিবিদ ড. মোস্তাফিজুর রহমানের মতে দরিদ্রদের সাথে সাথে এখন নিন্ম-মধ্যবিত্ত এবং  নিকট-মধ্যবিত্ত এই বিশাল জনগোষ্ঠির জন্যও বাজেট কর্মসূচী জরুরি। তিনি বলেছেন, সাড়ে ৭ লাখ কোটি টাকার বেশি হলেও বাজেট বাংলাদেশের চাহিদা তুলনায় উচ্চাবিলাসী নয়। বড় চিন্তা হলো বড় অংকের রাজস্ব আদায়। 

সরকারের সমালোচনার জন্য জনপ্রিয় অর্থনৈতিক গবেষণা সংস্থা সিপিডির এই সম্মানীয় ফেলো বলেছেন থিংকট্যাংকগুলো সমালোচনা নিয়ে সরকারের আরো বেশি উদার হওয়া প্রয়োজন।  রিজার্ভ ৩০ বিলিয়ন ডলারের নীচে নামার দুশ্চিন্তা এবং আইএমএফ শর্ত বাস্তবায়নের আবশ্যিকতাসহ আরো অনেক বিষয়ে কথা বলেছেন তিনি জুলিয়া আলমের সাথে এই দির্ঘ প্রাক-বাজেট সাক্ষাৎকারে। 

জুলিয়া: এবার বাজেট পেশের আগে অর্থনীতি কেমন আছে? 

অধ্যাপক মোস্তাফিজ: আসলে বেশ কয়েকটি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে আমাদের ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেট প্রণয়ন করতে হচ্ছে। আমরা ২০২২-২৩ এ যে প্রাক্কলন করেছিলাম- যেমন প্রবৃদ্ধি আমরা ধরেছিলাম ৭.৫ শতাংশ হবে কিন্তু এই লক্ষ্যমাত্রা সংশোধন করে সম্প্রতি ৬.৩ এ নামিয়ে আনা হয়েছে।  মূল্যস্ফীতি আমরা ধরেছিলাম ৫.৪৪ শতাংশ সেটা শতকরা ৮ শতাংশ ক্রস করেছে। আমরা ধরেছিলাম রির্জাভে তেমন কোনো সমস্যা হবে না। যদিও তখন যখন বাজেট দেয়া হয় জুন ২০২২ এ তখন কিন্তু রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হয়ে গিয়েছিল এবং বিভিন্ন পণ্যের মূল্য আন্তর্জাতিক বাজারে বৃদ্ধি পেয়েছিল কিন্তু তা সত্বেও আমাদের প্রাক্কলনগুলো ছিল এমন ভেবে যে হয়তোবা যুদ্ধ এবং সংকট স্বল্প স্থায়ী হবে এবং অর্থনীতি এজ ইজুয়াল যাবে। সেটা কিন্তু হয় নাই। 

এখন আমরা যখন ২০২৩-২৪ এর বাজেট করছি তখন ২০২২-২৩ এর বাজেটের অনেকগুলো প্রাক্কলন যে আমরা ঠিকভাবে করিনি সেটা প্রমাণিত হয়েছে। দ্বিতীয়ত মূল্যস্ফীতির চাপ যেটা এখন শুধু প্রান্তিক মানুষ না, নিম্নমধ্যবিত্ত এমনকি মধ্যবিত্তের উপরও পড়ছে। আমরা দেখছি আমাদের রির্জাভের উপরেও একটা চাপ আছে যার ফলে এলসি ওপেন করতে সমস্যা হচ্ছে, ক্যাপিটাল মেশিনারিজ আমদানি কমে গেছে তাই নতুন বিনিয়োগ কম হচ্ছে মানে স্থানীয় বা বিদেশি উদ্যোক্তারা বিনিয়োগ কমিয়েছেন। 

আমাদের উৎপাদন, মূল্যস্ফীতি, রেমিট্যান্স কিংবা এক্সপোর্টে যে টার্গেট আমরা করেছিলাম তা অর্জন হচ্ছে না। এই সব কিছু মিলালে অর্থনীতি একটা চাপের মধ্যে আছে। গতানুগতিক অবস্থাও এখন অর্থনীতিতে নেই তাই ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটও গতানুগতিক করলে চলবে না। 

জুলিয়া: অর্থনীতির অনেক সূচক এখনো দুর্বল, রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রাও অর্জন হবে না তা প্রায় নিশ্চিত। তারপরও গতবারের চেয়ে এবারের বাজেট বড় হতে যাচ্ছে। সরকারের এই সাহস ও পরিকল্পনাকে আপনি কিভাবে দেখছেন?

অধ্যাপক মোস্তাফিজ: দেখুন বাংলাদেশের মতো অর্থনীতিতে বড় চাহিদা থাকবে সবসময়। অর্থনীতি বড় হচ্ছে। ৪২০ বিলিয়ন ডলার অর্থনীতির আকার। মানুষের আকাঙ্ক্ষার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ বাজেট প্রণয়ন করতে হবে। বাজেট যেটা আমরা শুনছি যদি সাড়ে সাত লাখ কোটি টাকার হয় বা দুই লাখ ষাট হাজার কোটি টাকার যদি উন্নয়ন বাজেট হয় এটা খুব বড় না। আমরা দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সাথেও যদি তুলনা করি তাহলে আমাদের বাজেটের সাইজ জিডিপির ১৫% হবে। এটা আমাদের দক্ষিণ এশিয়াতেও গড়ে ২০ শতাংশের বেশি। সুতরাং ঐদিক থেকে বাজেট খুব বড় বা সরকার খুব উচ্চাভিলাষী হচ্ছে সেটা কিন্তু না। 

প্রশ্ন যেটা সেটা হলো আমাদের অভ্যন্তরীণ যে সম্পদ আহরণের তুলনায় বাজেটের আকার কেমন। আমাদের রেভিনিউ জিডিপি বা ট্যাক্স জিডিপি রেশিও  দক্ষিন এশিয়ায়ও  সবচেয়ে কম; শতকরা ৯ এর কম। নেপাল ও ভারতে এটা ১৮ থেকে ২০ শতাংশ। 

বাজেটের ঘাটতি অর্থায়নের জন্য আমাদের ঋণ করতে হবে যা জিডিপির  ৫ থেকে ৬ শতাংশ  হবে। মানে ৯ এর সাথে ৬ যোগ করে  বাজেটের সাইজ জিডিপির ১৫ শতাংশের মতো। এটা কিন্তু খুব বড় বাজেট না। সামাজিক নিরাপত্তা খাতে ব্যয় বৃদ্ধির চাহিদা ছাড়াও  আমাদের শিক্ষার চাহিদা আছে- মানসম্মত শিক্ষায় যেতে হবে, আমাদের এখন স্বাস্থ্যসেবার বিভিন্ন ধরনের চাহিদা আছে আরও অনেক কিছু। তাই সব চাহিদা মিলিয়ে বাজেটের সাইজ বড় না। কিভাবে সঞ্চয় ও সম্পদ বাড়াতে পারি এবং দক্ষতার সাথে বাজেট  বাস্তবায়ন করতে পারি এই দুই দিকে  অগ্রাধিকার দিতে হবে।

image

জুলিয়া:  যদি চলমান অভ্যন্তরিণ কথা টানি আমরা-  আমাদের কি সক্ষমতা আছে এই বাজেট বাস্তবায়নের?

অধ্যাপক মোস্তাফিজ: এটা একটা বড় চ্যালেঞ্জ। এনবিআরকে যে টার্গেট দেওয়া হবে, তা এনবিআর পূরণ করতে পারবে কিনা। তারপর আছে বাস্তবায়ন সক্ষমতা। যদি ১০ মাসের হিসেবে ধরি জুলাই থেকে এপ্রিল তবে চলতি অর্থবছরে আমাদের এডিপির মোটামুটি ৫০% বাস্তবায়ন করেছি। বাকি দুই মাসে হয়ত ৪০% বাস্তবায়িত করব- সেটার মান কি হবে? তাই শুধু যে এ বছরের চ্যালেঞ্জ নয় আগামী বছরেরও চ্যালেঞ্জ।

আমাদের সক্ষমতা বাড়াতে হবে, আইএমইডি’র সক্ষমতা বাড়াতে হবে, আমাদের জনবলের প্রশিক্ষণ, নিরিক্ষণ পর্যবেক্ষণ সক্ষমতা বাড়াতে হবে কারণ বাজেটের মানসম্মত বাস্তবায়নের জায়গাটায় আমাদের অনেক সমস্যা রয়ে গেছে।

জুলিয়া: সবকিছুর সাথে এখনো আমরা বৈশ্বিক পরিস্থিতিকে টানছি-এটাকে আপনি কিভাবে দেখেন? 

অধ্যাপক মোস্তাফিজ: এটা আপনি সুন্দর প্রশ্ন করেছেন কারণ আমরা বৈশ্বিক পরিস্থিতিকে যখন বেশি টানি তখন আমরা আমাদের অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জগুলো আন্ডারমাইন করা হয় মানে চলমান সমস্যা। বৈশ্বিক পরিস্থিতি অস্বীকার করারও কারণ নাই। সারাবিশ্বের সাথে কোভিড  মহামারি থেকে আমরা যখন বেরুচ্ছিলাম তখন রুশ ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে জিনিসপত্রের দাম বেড়ে গেলে আমাদের এখানে মূল্য সমন্বয় করতে হলো। আমাদের এখানে আমদানিকৃত মূল্যস্ফীতির চাপ আসলো, আমাদের টাকার সাথে ডলারের বিনিময় হার ছিল ৮৬ টাকায় সেটা এখন  ১০৮ টাকা পর্যন্ত।  

সো  বৈশ্বিক পরিস্থিতিও বড় অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে। তবে সাপ্লাই চেইনের মধ্যে যে সমস্যা সেটা শুধু বৈশ্বিক না এটা অভ্যন্তরীণ সাপ্লাই চেইনে কস্ট অফ ডুয়িং বিজনেস যদি বলি বা আমাদের বিভিন্ন ঘাটতি ও দুর্বলতার কারণেও কিন্তু আমাদের  সমস্যা হচ্ছে। 

জুলিয়া: সম্প্রতি বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ করোনার পর প্রথমবার ৩০ বিলিয়ন ডলারের  নিচে নেমে গেলে অর্থনৈতিক মহলে একরকম আতঙ্ক দেখা দেয়। কিন্তু এফবিসিসিআই  সভাপতি বলেছেন আতঙ্কের কিছু নেই, আপনি কি বলবেন? 

অধ্যাপক মোস্তাফিজ: আতঙ্কতো খুব একটা বড় শব্দ এবং এই কথা যখন বলা হয় অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে তাই এসব শব্দ ব্যবহার না করাই ভালো। তবে একটা দেশের ৪৬ বিলিয়ন ডলারের রিজার্ভ যা প্রায় নয় মাসের আমদানি সক্ষমতা দিতো তা যখন ৩০ বিলিয়ন ডলারে নেমে আসে এবং চার মাসের সক্ষমতায় নেমে আসে তখন কিন্তু দুশ্চিন্তার কারণ আছে বলেই আমার মনে হয়। রিজার্ভ যখন কমে তখন অর্থনীতিতে আমদানিতে এর প্রভাব পড়ে। 

জুলিয়া:  সিপিডি এর মধ্যেই বাজেটকে এতিম এবং আইএমএফকে পালক পিতা বলেছে। এবার বাজেট প্রণয়নে অসহায়ত্বের দিকগুলো কি দেখেন, চ্যালেঞ্জগুলো কোথায়?

অধ্যাপক মোস্তাফিজ: আসলে যে কথাগুলো বলার চেষ্টা করা হয়েছে তা হলো এবারের এই সময়টাতে বাজেট প্রণয়নে আইএমএফ-এর পরামর্শ বা শর্ত যেগুলো আছে সেগুলো আমাদের বিবেচনায় রাখতে হবে। না রাখলে পরবর্তী যে ইনস্টলমেন্টগুলো আছে সেগুলো পেতে অসুবিধা হবে। 

এটাও খেয়াল রাখতে হবে আইএমএফ শর্ত মানবো বলে স্বীকৃত হয়েছি। এখন অন্যেরাও কিন্তু এসেছে-এডিবি আসছে বড় ভাবে আইডিবি আসছে বড় ভাবে বাজেটারি সাপোর্ট, প্রকল্প সাপোর্ট দিতে। তারা জানে বাংলাদেশের অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে সামষ্ঠিক অর্থনীতি পরিচালনার ক্ষেত্রে সেগুলো না বললে ভুল হবে। 

আর আমরাওতো অনেক বছর ধরে বলছিলাম সংস্কার করেন, এনবিআরকে শক্তিশালী করেন। আমরা বলছিলাম, টাকা ওভারপ্রাইস এটাকে সমন্বয় করেন নাহলে হঠাৎ করে টাকা নেমে যাবে। এই বিষয়গুলো আমরা বাজেটে এড্রেস করলে অর্থনৈতিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ভালো হবে।

জুলিয়া: মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে বাজেটে আসলে কি কি করা যেতে পারে। অন্যান্য কোন কোন ক্ষেত্রে এবার বাজেটে বেশি নজর দেওয়া জরুরি? 

অধ্যাপক মোস্তাফিজ: স্থির আয়ের মানুষ যারা তাদের ক্রয় ক্ষমতা কমেছে এবং তারা যখন বাজারে যাচ্ছেন একই টাকায় আগের চেয়ে কম কিনছেন। সুতরাং বাজেটে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের বিভিন্ন কৌশল রাখতে হবে। 

মনিটারি পলিসি দিয়ে আমাদের মুদ্রা সঞ্চালন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে সরকার চিন্তা ভাবনা করছে ইন্টারেস্ট রেটকে বাজারমুখী করবে। সেখানে ঋণ অর্থায়ন কিছুটা নিয়ন্ত্রণ হবে। এটার সাথে রাজস্ব যেমন আমাদের ভ্যাট, আমদানি শুল্ক এগুলো কিছুটা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে আমাদের। ভর্তুকি বিশেষত খাদ্যে নিরাপত্তার ক্ষেত্রে ভর্তুকি আইএমএফ বলেছে যে ভর্তুকি সমন্বয় করতে হবে। তবে খাদ্য নিরাপত্তার সাথে জড়িত খাতে এটা করা যাবে না। খারাপ ভর্তুকি যেটা প্রয়োজন নাই তা পুনর্বিন্যাস করতে হবে। 

যারা নতুনভাবে আসছে তাদের ভর্তুকি ও প্রণোদনাকে আমাদের অগ্রাধিকার দিতে হবে। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে নিম্ন আয়ের মানুষদেরকে কিছুটা স্বস্তি দিতে সরকারের যে ফ্যামিলি কার্ডে দেড় কোটি মানুষকে স্বল্পমূল্যে পণ্যের প্যাকেজ প্রোগ্রামটার ভিত্তি প্রাপ্তি ও স্থায়িত্ব বৃদ্ধি করা যেতে পারে। 

জুলিয়া: নির্বাচনের আগে আসছে এবারের বাজেট তাই অর্থনীতির চেয়ে রাজনীতির প্রয়োজনগুলোই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে বেশি- আপনি কি মনে করেন? 

অধ্যাপক মোস্তাফিজ: আমাকে যদি প্রশ্ন করেন একজন অর্থনীতির ছাত্র হিসেবে আমি বলবো,  ভালো অর্থনীতি হলো সবচেয়ে ভালো রাজনীতি। মূল্যস্ফীতি চাপ যদি কমাতে পারি, সাধারণ মানুষকে যদি সামাজিক সুরক্ষা, ইউনিভার্সাল পেনশন স্কিম, মিড ডে মিল এগুলো দেওয়ার সক্ষমতা রাখতে পারি এর থেকে ভালো রাজনীতি এবং রাজনীতির প্রচারণা কি হতে পারে। এগুলো মাইক দিয়ে বলার বিষয় না। সাধারণ মানুষই তখন বুঝতে পারবেন যে আমার অর্থনৈতিক লাভটা কি হচ্ছে। এটার  বিপরীত হলে তখন ভালো ভালো কথা বললেও কাজ হবে না।

জুলিয়া: রাজনৈতিক অর্থনীতির দৃষ্টিকোণ থেকে আওয়ামী লীগ সরকারের শক্তি ও দুর্বলতার জায়গাগুলো কোথায়?

অধ্যাপক মোস্তাফিজ: আমি সব সময় বলি যে একটা সূচকে আমাদের অনেক কিছু ধরা পড়ে। সেটা হলো যে গড় আয়ু। স্বাধীনতার সময় এটি ছিল ৪৭ বছর এখন ৭২। এটার মধ্যে নারীর ক্ষমতায়ন থেকে শিক্ষার বিস্তার থেকে স্বাস্থ্যের প্রাপ্তির থেকে সবকিছুই ধরা পড়ে। কিন্তু একই সময় আমি বলবো যে এখন দ্বিতীয় প্রজন্মের চ্যালেঞ্জে পড়েছে বাংলাদেশ। স্বাস্থ্য কেবল স্বাস্থ্য হলে হবে না মানসম্মত স্বাস্থ্য হতে হবে, পাবলিক সার্ভিস ডেলিভারিগুলোর এফিশিয়েন্সি এ গুড ভ্যালু ফর মানি বাড়াতে হবে। 

কেবলমাত্র শিক্ষার বিস্তার করলে হবে না মানসম্মত শিক্ষা দিতে হবে। কেবলমাত্র প্রশিক্ষণ দিলে হবে না আগামীর চাহিদার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ প্রশিক্ষণ দিয়ে আমাদের চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের জন্য প্রস্তুত হতে হবে।

সরকারের পরিকল্পনা  বলা হচ্ছে ২০৪১ সালে অর্থনৈতিক উন্নত ও সামাজিক ভাবে অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশবান্ধব একটা বাংলাদেশ আমরা করবো। এই টার্গেটগুলো মানুষের জন্য ভালো। আমাদের মতো থিংক ট্যাংকগুলো সমালোচনা করলেও এগুলোকে গঠনমূলক সমালোচনা হিসেবে নিয়ে আরো বেশি উদার হওয়া প্রয়োজন। সেটা দেশের জন্য ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

জুলিয়া: আপনাকে ধন্যবাদ।   

অধ্যাপক মোস্তাফিজ: আপনাকেও ধন্যবাদ।  


একাত্তর/এআর

জাতীয় সংসদে আজ পাস হতে যাচ্ছে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট। বাজেট পাস হলে আগামীকাল থেকে তা কার্যকর হবে।
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ এশিয়ার অর্থনীতিতে চলতি এবং আগামী বছরে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে সতর্ক করেছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)।
আগামী ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির দেশে পরিণত করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে বিভিন্ন খাতে সরকারি ব্যয় স্থগিত ও সীমিত করার নির্দেশনা দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে ফ্যাসিবাদ বিরোধী যুগপৎ আন্দোলনে শরিক নেতাদের উদ্দেশ্য বলেছেন, আমরা অতীতে একসাথে ছিলাম, আছি এবং একসাথেই থাকবো।
স্বাক্ষরিত জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে পালন করবে বিএনপি সরকার। যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের এমনটিই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে স্পেনের মহাকাব্যিক জয় শুধু একটি ঐতিহাসিক ট্রফি অর্জন আর রূপকথার গল্প নয়, এটি ছিল ফুটবলের এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজংশে ব্যাটন হস্তান্তরের স্মারক। ফুটবল...
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের রোমাঞ্চকর ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে ইনজুরি টাইমে ফেরান তোরেসের অবিশ্বাস্য গোল স্প্যানিশ ফুটবলে নতুন ইতিহাস লিখেছে। ২০১০ সালে আন্দ্রেস ইনিয়েস্তার সেই ঐতিহাসিক জয়ের পর দেশকে...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর