মুক্তিপণ না পেয়ে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম নিয়ে এক কিশোরকে হত্যা করেছে অপহরণকারীরা। রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর ধলপুর থেকে নিখোঁজের চারদিন পর, চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ থেকে নুরুনবী নামের কিশোরের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।
পরিবারের অভিযোগ, অপহরণকারীদের সাথে যোগাযোগের বিষয়ে সব তথ্য দেয়া হলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আন্তরিকতার অভাবে কিশোরকে জীবিত উদ্ধার করা যায়নি। একই সাথে নিখোঁজ হওয়া আরেক কিশোর এখনো উদ্ধার হয়নি।
২১ আগস্ট বিকেল যাত্রাবাড়ীর ধলপুরের বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয় ১৪ বছরের কিশোর নূরুন্নবী। ২২ তারিখ রাতে বিভিন্ন ইমো নাম্বার থেকে বার্তা পাঠানো হয় ছেলেকে ফেরত দেয়ার কথা বলে। ২৩ তারিখ ৫০ হাজার টাকা দাবি করে অপহরণকারীরা।
টাকা দিতে রাজি হয় পরিবার তবে শর্ত হিসেবে নূরুন্নবীর ভিডিও চাইলে অপহরণকারীরা ভিডিও এই ভিডিও পাঠায়। ভিডিও দেখে পরিবার নিশ্চিত হয় চট্রগ্রামের ষোলশহর রেলস্টেশনে ধারণ করা হয়েছে ভিডিওটি।
স্বজনরা চট্রগ্রামে ষোলশহর স্টেশনে গিয়ে উদ্ধার করে সিসিটিভি ফুটেজ সেই ফুটেজে দেখা যায় নূরুন্নবীকে। যেখানে কেউ একজন তার ভিডিও করছে। অপহরণকারীদের পাঠানো ভিডিওর সাথে সিসিটিভি ফুটেজের মিলও পাওয়া যায়। ২৫ তারিখ বিকেলে চট্রগ্রামের পাচলাইশ থানার পুলিশ একটি অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার করে। ভিডিও মিলিয়ে দেখায় যায় সেটি অপহৃত নূরন্নবীর।
দাবি করা ৫০ হাজার টাকার মধ্যে ৫ হাজার টাকা অপহরণকারীদের দেয়াও হয়েছিল একটি বিকাশ নাম্বারে। বিকাশে টাকা পাঠানো এবং ছয়টি নাম্বারে অপহরণকারীদের সাথে ইমোতে তিনি দিন ধরে যোগাযোগের সব তথ্য সার্বক্ষণিক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকেও জানানো হয়েছিল। পরিবারটির অভিযোগ পুলিশ একটু আন্তরিক হলে হয়তো কিশোরটিকে জীবিত উদ্ধার করা যেতো।
এদিকে একইদিন একই সাথে নিখোঁজ হওয়া হুসাইন নামের এক কিশোর এখনো নিখোঁজ। হুসাইনের পরিবার জানায়, তারা একসাথেই গিয়েছে। থানায় জিডিও করা হয়েছে।
পরিবার দুটির দাবি দ্রুত হুসাইনকে দ্রুত ও যারাই এই হত্যার জড়িত তাদেরকে দ্রুত আইনের আওতায় আনবে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী।
ডেঙ্গুতে আরও ১৪ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৫২৮
ডেঙ্গুর ঘাড়ে ভর করে আকাশ ছুঁয়েছে ডাবের দাম