ঢাকায় এসে ইলিশ যেমন খেলেন, তেমনি কাচ্চি বিরিয়ানিরও স্বাদ নিলেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাঁক্রো। খেলেন পিঁয়াজু, সামুচাও। পান করলেন আমড়ার জুস।
রোববার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া নৈশভোজে অংশ নেন ফরাসি রাষ্ট্রপ্রধান। আপ্যায়নে ১৬ পদের আয়োজন করা হয়। যাতে ছিলো দক্ষিণ ভারতীয় একটি খাবারও।
ওয়েলকাম ড্রিংকসে ছিলো আমড়ার জুস।
ফরাসি রাষ্ট্রপ্রধানের সম্মানে দেওয়া নৈশভোজে এ্যাপেটাইজার হিসেবে ছিলো স্মোকড ইলিশ, পিঁয়াজু এবং সমুচা। রুটি আর মাখনের সহযোগে দেওয়া হয় দক্ষিণ ভারতীয় মাল্লিগাতওয়ানি কারি স্যুপ।
মেইন কোর্সে ছিলো খাসির কাচ্চি বিরিয়ানি, গরুর শিক কাবাব, মুরগীর কোরমা, রোস্টেড লবস্টার, টক বেগুনের তরকারি ও লুচি।
শেষপাতে ডেজার্টে পরিবেশন করা হয় পাটিসাপটা পিঠা, মিষ্টি দই, রসগোল্লা আর নানারকম ফল।
পানীয়তে ছিলো ফলের রস, কোমল পানীয়, চা ও কফি।
নৈশভোজে ম্যাক্রোঁ বলেন বলেন, বিগত বছরগুলোতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন অভূতপূর্ব; জলবায়ু, পরিবর্তন মোকাবিলায় বাংলাদেশের ভূমিকা প্রশংসনীয়।

দু’দিনের সফরে রোববার রাতে ঢাকায় পৌঁছান ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। ৩৩ বছরের মধ্যে এটাই ফরাসি কোনো প্রেসিডেন্টের বাংলাদেশ সফর। বিমানবন্দরে ম্যাক্রোঁকে দেওয়া হয় লাল গালিচা সংবর্ধনা এবং গার্ড অব অনার।
পৃথিবীর অন্যতম বড় অর্থনীতি ও প্রভাবশালী দেশ ফ্রান্স জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য। ফরাসি প্রেসিডেন্টের এই সফরে রোহিঙ্গা ইস্যু, নারীর ক্ষমতায়ন, বিনিয়োগ, ব্যবসা-বাণিজ্য, জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যু নিয়ে আলোচনা হতে পারে।
সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। এছাড়া দুই সরকারপ্রধান একান্তেও বৈঠক করবেন।
ম্যাক্রোঁ ও শেখ হাসিনা সমঝোতা স্মারক সই এবং যৌথ সংবাদ সম্মেলনেও কথা রয়েছে।
সোমবার সকালে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন।
ফরাসি প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ ঢাকায়