ঈদুল আজহার দিন সোমবার সারাদেশে আবাহওয়া নিয়ে তিনটি ভিন্ন অবস্থার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক বলেন, ঈদের দিন সকালে ঢাকার আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকবে, হালকা বৃষ্টি হতে পারে দিনের যে কোনো সময়। সকালে নাগাদ বৃষ্টি হলেও তা বেশিক্ষণ স্থায়ী নাও হতে পারে। বৃষ্টি হলে তা হালকা থেকে মাঝারি ধরনের হতে পারে।
সেই সঙ্গে চট্টগ্রাম, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেটে দিনে দুই/তিন ভাগে বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তবে খুলনা বিভাগে বিরাজমান তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে।
রাজশাহী, খুলনা ও বরিশালে বৃষ্টির সম্ভাবনা কম বলে জানান এই আবহাওয়াবিদ।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস বলছে, দেশজুড়ে দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমি বায়ু সক্রিয় রয়েছে। এর মধ্যে সিলেট, রংপুরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। তবে খুলনা বিভাগে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।
রোববার সকাল ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় খুলনায় দেশের সর্বোচ্চ ৩৮.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, দেশের উত্তর পূর্বাঞ্চল ও তৎসংলগ্ন উজানে আগামী ৪৮ ঘণ্টা থেকে ৭২ ঘন্টা ভারি থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।
তাতে নদ-নদীর পানি দ্রুত বেড়ে সিলেট, সুনামগঞ্জ ও মৌলভীরবাজার জেলার নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদী বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।
ঈদের পরের দিন অর্থাৎ মঙ্গলবারের পূর্বাভাসে বলা হয়, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায়, চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগের অনেক জায়গায়, ঢাকা ও রাজশাহী বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং খুলনা বিভাগের দুই এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। এদিনও চলমান তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে।
সিলেটে তিন নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে