কোটা আন্দোলনে সহিংসতা ও নাশকতার মধ্যে বাংলাদেশে বন্ধ করে দেওয়া ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টিকটকসহ বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম আবার খুলে দেওয়া হয়েছে।
বুধবার দুপুর দুইটার পর থেকেই দেশের বিভিন্ন জায়গা ফেসবুক, টিকটকে প্রবেশ করা যাচ্ছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। ফেসবুক ম্যাসেঞ্জার ও হোয়াইসঅ্যাপে ছবি ও বার্তা পাঠানো যাচ্ছে।
করা যাচ্ছে ফাইল ডাউনলোডও। সব মিলিয়ে আগের অবস্থায় ফিরেছে বেশিরভাগ যোগাযোগ অ্যাপ ও সামাজিক মাধ্যম।
বিকেল থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের এসব প্লাটফর্ম খুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছিলেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।
এদিনই বিটিআরসি ভবনে ফেসবুক ও টিকটকের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন পলক। এরপর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।
বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সহিংসতার ঘটনায় নিজেদের ভূমিকা নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। আর দেশের মূল্যবোধ ও সংস্কৃতি মেনে কাজ করার কথা জানিয়েছে টিকটক।
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) তলবে সাড়া দিয়ে আইসিটি প্রতিমন্ত্রীর সাথে এক বৈঠকে এসব কথা জানান এই দুই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রতিনিধিরা।
বুধবার সকালে বিটিআরসির তলবে ভার্চুয়ালি বৈঠকে যুক্ত হন তারা। এ সময় ভবিষ্যতে কনটেন্টের বিষয়ে আরো সতর্ক থাকার কথা জানিয়েছে টিকটক।
বৈঠকে ইউটিউব প্রতিনিধি উপস্থিত না থাকলেও চিঠি দিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছে কোম্পানিটি। বিটিআরসির তলবের সরাসরি জবাব দেয়ার জন্য ইউটিউব নতুন করে সময় চেয়েছে বলেও জানান আইসিটি প্রতিমন্ত্রী পলক।
এর আগে কোটা আন্দোলনের কিছু ভিডিও কন্টেন্টের ব্যাপারে গত ২৮ জুলাই ফেসবুক, ইউটিউব ও টিকটককে চিঠি দিয়ে তলব করে এর যৌক্তিক ব্যাখ্যা চাওয়া হয়।
কোটা সংস্কার আন্দোলন সহিংস রূপ ধারণ করার পর গত ১৭ জুলাই সারাদেশে মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়া হয়। এর পরেরদিন বন্ধ করা হয় ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট। ওই দিনই অর্থাৎ ১৮ জুলাই থেকে দেশে বন্ধ থাকে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্ল্যাটফর্ম।
বিকেলে ফিরছে ফেসবুক-টিকটক