২০১২ ও ২০১৭ সালে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্য নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগ নিয়ে আদালতে প্রশ্ন তোলা যাবে না, এই আইনের ৯ ধারা কেনো অবৈধ হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের ১০ আইনজীবীর করা এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি মোহাম্মদ মাহবুব উল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার চার সপ্তাহের এই রুল জারি করেছেন।
রিটকারীদের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির জানান, ওই দুই মেয়াদের নির্বাচন কমিশন গঠন বৈধ ছিলো না। সেক্ষেত্রে রুল যথাযথ ঘোষণা করে হাইকোর্ট আদেশ দিলে ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন উঠবে।
রাষ্ট্রপতির গঠন করা সার্চ কমিটির সুপারিশে ২০১২ সালে কাজী রকিব উদ্দিন আহমেদ ও ২০১৭ সালে কে এম নুরুল হুদার নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব নেয়।
তাদের নিয়োগের বৈধতা দেয়া হয় ২০২২ সালের একটি আইনের মাধ্যমে। ওই বছরের ২৯ জানুয়ারি আইন মন্ত্রণালয়, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের আইন করে।
ওই আইনের ধারা ৯ এ বলা আছে- সার্চ কমিটির সুপারিশে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারের নিয়োগ প্রক্রিয়া ও তাদের নিয়োগ বৈধ ছিল বলে গণ্য হবে এবং এ বিষয়ে কোনো আদালতে কোনো প্রশ্ন তোলা যাবে না।
এই ধারাটি চ্যালেঞ্জ করে গত ১৮ আগস্ট হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন সুপ্রিম কোর্টের ১০ জন আইনজীবী। রিটকারীদের আইনজীবী বলেন, ধারা ৯ এর মাধ্যমে বিচার বিভাগের ক্ষমতা কেড়ে নেয়া হয়েছে। এই ধরনের দায়মুক্তি সম্পূর্ণভাবে অসাংবিধানিক।
মাধ্যমিক শিক্ষা সংস্কার চেয়ে রিট