কেউ কলার চেপে কিল-ঘুষি দিচ্ছেন, পরক্ষণেই আবার পা থেকে জুতা খুলে পেটাচ্ছেন, কেউ হাঁকডাক দিয়ে বাঁশ নিয়ে তেড়ে এসে পেটাচ্ছেন, আবার কেউ করছেন ফ্লাইং কিক; এই দৃশ্যগুলো সিনেমা ফাইট নামে পরিচিত হলেও তা ঘটেছে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে।
শনিবার বেলা ১১টার দিকে জেলার সদর হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।
চিকিৎসক, কর্মচারীদের ওপর হামলার অভিযোগ এনে ইতিমধ্যে হাসপাতালটি জরুরি ছাড়া সব সেবা বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
তাদের দাবি, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও বিচার না করা পর্যন্ত কর্মবিরতি চলবে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনরা।

ওই ঘটনায় একাত্তরের হাতে আসা একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, হাসপাতালটির জরুরি বিভাগের সামনে কয়েকজনকে ইচ্ছেমতো পেটানো হচ্ছে। একদিক থেকে কেউ কেউ তা থামানোর চেষ্টা করলেও, আরেকদিক থেকে লাঠিসোটা নিয়ে হামলা করা হচ্ছে।
হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক মো. ইকবাল হোসেন ও পুলিশ জানায়, সকালে শারমিন নামে এক রোগী হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি হন। এসময় রোগীর ভর্তি ফাইল নিতে চাইলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে তর্কে জড়ায় স্বজনরা। এক পর্যায়ে চিকিৎসক ও কর্মচারীদের ওপর লাঠিসোটা নিয়ে হামলা করা হয়। এতে এক চিকিৎসকসহ অন্তত চার জন আহত হয়েছেন। তবে পিটুনির শিকার হয়েছেন অনেকেই।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ইতিমধ্যে হাসপাতাল পরিদর্শন করেছে সেনা সদস্যরা।
সীতাকুণ্ডে শিপ ইয়ার্ডে বিস্ফোরণ, দগ্ধ ১২