নির্বাচন কমিশনকে সংবিধান ও আদালতের মাধ্যমে অগাধ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার বিষয়ক কমিশনের প্রধান ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো আইনের প্রয়োগ করা। তাই, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য বিদ্যমান আইন, বিধিবিধানের সীমাবদ্ধতা দূর করে আইনের প্রয়োগ ও কার্যকারিতা বাড়াতে উদ্যোগ নিতে হবে বলে মনে করেন তিনি।
ধারাবাহিক আলোচনার অংশ হিসেবে, বুধবার ইসি সচিবালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করে সংস্কার কমিশন। পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন বদিউল আলম।
তিনি বলেন, ইসি সচিবের নেতৃত্বে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছি। উনারা আগে নির্বাচন করেছেন, ভবিষ্যতেও করবেন। অনেক অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। কী বিষয়ে আমাদের মনোযোগ এবং অগ্রাধিকার দেওয়া দরকার, সে মতামত নিয়েছি আমরা।
তিনি আরও বলেন, ওনারা আইন, কানুন, বিধি-বিধান যেগুলো আরও শক্তিশালী করা দরকার, কমিশনের কার্যকারিতা কীভাবে বাড়ানো যায়, সেগুলোর ব্যাপারেও পরামর্শ ছিলো। মাঠের প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীসহ যারাই নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করেন তারা যেন আরও সঠিক ভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারেন।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক বলেন, আমাদের আইন কানুন বিধি বিধানের কিছু সীমাবদ্ধতা আছে, সেগুলো দূরীভূত করা দরকার। কিন্তু সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো প্রয়োগ। নির্বাচন কমিশনকে সংবিধান ও আদালতের মাধ্যমে অগাধ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। আপিল বিভাগের একটা রায়ে বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা আছে। সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচনের খাতিরে তারা বিধি বিধানের সঙ্গে সংযোজনও করতে পারে। অগাধ ক্ষমতা দেওয়া ছিল। ক্ষমতা প্রয়োগের সমস্যা ছিল। এই সমস্যাটা দূরীভূত করতে হবে।
সরকারের কাছে সুপারিশ কী হবে– এমন প্রশ্নের জবাবে ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, আমরা এখনো বলতে পারছি না। এখনো আমরা শুনছি। অনেক রকম গুরুত্বপূর্ণ, অভিনব, সৃজনশীল প্রস্তাব রয়েছে। সব পর্যালোচনা করে আমরা সুপারিশ করব। আমরা আমাদের সুপারিশ দেব। কিছু সুপারিশ নতুন কমিশন বাস্তবায়ন করবে। আর কিছু সুপারিশ রাজনৈতিক দলগুলো বাস্তবায়ন করবে।
রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধের বিধান থাকছে না ট্রাইব্যুনাল আইনে