শ্রীলঙ্কা যখন ২৪৫ রানের টার্গেট ছুড়ে দিলো, তখন মনে হচ্ছিলো রোমঞ্চকর হতে যাচ্ছে লংকা-বাংলা প্রথম ওয়ানডে। কিন্তু মোটামুটি ভালো শুরু পর যা হলো, তা ছিলো এক কথায় অবিশ্বাস্য!
পাঁচ রানের মধ্যে সাতে উইকেট হারায় মিরাজ বাহিনী। এরপর হারটা ছিল শুধু সময়ের ব্যাপার। জাকের আলি এই অপেক্ষাটা বাড়াচ্ছিলেন। হাফ সেঞ্চুরি তোলার পথে একাই লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন। তবে যার বল বাংলাদেশের ব্যাটিংকে হতশ্রীতে পরিণত করেছিলো, সেই হাসারাঙ্গার বলে তার এলবিডব্লুতেই নিশ্চিত হয় ৭৭ রানের হার। প্রথম ম্যাচ হেরে তিন ম্যাচের সিরিজেও পিছিয়ে পড়লো বাংলাদেশ।
২৯ রানের উদ্বোধনী জুটি এনে দিয়েছিলেন পারভেজ হোসেন ও তানজিদ হাসান। তা ভাঙার পর তানজিদকে নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছিলেন নাজমুল। এক উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ করে ফেলেছিল ১০০ রান।
তানজিদের সঙ্গে নাজমুলের ৭১ রানের জুটি ভাঙে রান আউটে। এরপরই ওই ধস! স্কোরবোর্ড লক্ষ্য করলে দেখা যায়, ১০১ রানে লিটন, ১০২ রানে তামিম, ১০৩ রানে হৃদয়, মিরাজ, ১০৪ রানে তানজিদ সাকিব, ১০৫ রানে তাসকিন আহমেদে উইকেট খোয়া। সেখান থেকে জাকেরের ইনিংস শুধু শ্রীলঙ্কার অপেক্ষার সময়ই বাড়িয়েছে।
লঙ্কান বোলারদের মধ্যে হাসারাঙ্গা চারটি, মেন্ডিস তিনটি উইকেট নেন।
এর আগে ব্যাট করে কাপ্তান আশালঙ্কার সেঞ্চুরিতে সব কয়টি উইকেট হারিয়ে ২৪৪ রান সংগ্রহ করে স্বাগতিকরা।
বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে তাসকিন আহমেদ চারটি, তানজিম সাকিব তিনটি এবং তানভীর ও শান্ত একটি করে উইকেট নেন।
ম্যাচ সেরা হয়েছেন সেঞ্চুরিয়ান আসালঙ্কা।
