টাইম সাময়িকীর প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আপডেট : ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৫১ পিএম

বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় যুক্ত হলো এক নতুন ঐতিহাসিক পালক। বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী মার্কিন সাময়িকী ‘টাইম’ (TIME)-এর ২০২৬ সালের বিশ্বের ১০০ জন প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় স্থান পেয়েছেন বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও গণমানুষের নেতা তারেক রহমান।

আন্তর্জাতিক এই স্বীকৃতি শুধু একজন নেতার অর্জন নয়, বরং এটি বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের গণতান্ত্রিক লড়াই ও বিজয়ের এক অনন্য মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

নেতৃত্বের বিশ্বজনীন স্বীকৃতি: টাইম ম্যাগাজিন তারেক রহমানের এই অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব, অদম্য সাহসিকতা এবং অবরুদ্ধ গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে তাঁর অসামান্য অবদানকে সম্মান জানিয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এক কঠিন সময়ে যখন দেশে বাকস্বাধীনতা এবং ভোটাধিকার ছিল নির্বাসিত, তখন তারেক রহমান তৃণমূলের কণ্ঠস্বর হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। তাঁর দীর্ঘ লড়াই এবং অটল বিশ্বাস বাংলাদেশকে আবারও নিয়মতান্ত্রিক রাজনীতির ধারায় ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে।

ভোটের অধিকার ও ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন: তারেক রহমানের রাজনীতি মূলত মানুষের অধিকার আদায়ের। স্মরণকালের সর্বশ্রেষ্ঠ এক স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে তিনি দেশে ফিরে এসেই ঘোষণা করেন, ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’ (আমার একটি পরিকল্পনা আছে)।

সেই সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার মূল ভিত্তি ছিল একটি বৈষম্যহীন, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং আধুনিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা। নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠনের দুই মাস পার হওয়ার আগেই তাঁর নেতৃত্বে দেশ পুনর্গঠন ও মানবাধিকার সুরক্ষার প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়িত হতে শুরু করেছে।

ক্ষমতা নয়, দায়িত্বের রাজনীতি: টাইম সাময়িকীর তালিকায় তাঁর অন্তর্ভুক্তি প্রমাণ করে, প্রকৃত জননেতার শক্তি নিহিত থাকে জনগণের ভালোবাসায়, ক্ষমতার দম্ভে নয়। তারেক রহমান বরাবরই দেশ পরিচালনাকে ‘ক্ষমতা’ হিসেবে না দেখে একটি পবিত্র ‘দায়িত্ব’ হিসেবে বিবেচনা করেছেন।

বিভাজন ভুলে জাতীয় ঐক্যের যে ডাক তিনি দিয়েছেন, তা আজ বিশ্বমঞ্চে প্রশংসিত হচ্ছে। অবাধ নির্বাচন, আইনের শাসন এবং মুক্তমত প্রকাশের পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে তাঁর ক্যারিশম্যাটিক নেতৃত্ব আজ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে একটি উদাহরণ।

জাতীয় গৌরব ও আগামীর প্রত্যাশা: এই স্বীকৃতি বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য অত্যন্ত গর্বের। এটি সেই সব মানুষের বিজয়, যারা বিশ্বাস করে জনতার শক্তি কখনো পরাজয় মানে না। সামাজিক মাধ্যম থেকে শুরু করে রাজপথ, সবখানেই আজ আনন্দের ঢেউ। সাধারণ মানুষ মনে করে, আন্তর্জাতিক এই সম্মাননা দেশের গণতন্ত্রের ভিতকে আরও মজবুত করবে এবং বিশ্ব দরবারে দেশকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।

তারেক রহমানের এই অর্জন বাংলাদেশের আগামীর সুন্দর ও ন্যায়ভিত্তিক পথচলার এক শক্তিশালী প্রেরণা। এটি শুধু এক ব্যক্তির নাম নয়, বরং এক অপরাজেয় বাংলাদেশের নতুন পরিচয়।

এআরএস
সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের জন্য ‘প্রবাসী কার্ড’ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আগামী আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে এই কার্ডের...
যানজট নিরসন ও আধুনিক ট্রাফিক ব্যবস্থা নিশ্চিতে রাজধানীতে আরও অন্তত ৫০টি পয়েন্টে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ‘অটোমেটিক ট্রাফিক লাইট সিস্টেম’ চালু করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে...
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সুখী-সমৃদ্ধ বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। যে যার অবস্থান থেকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে।
আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই যেখানে রাষ্ট্র এবং সরকার হবে জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক,অর্থনীতি হবে অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং সর্বোপরি নাগরিকের জীবন হবে নিরাপদ মর্যাদাপূর্ণ এবং সম্ভাবনাময়।
মেটলাইফ স্টেডিয়ামের সেই স্নায়ুক্ষয়ী মহাকাব্যিক ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে গুঁড়িয়ে দেওয়ার রাতে বিশ্বমঞ্চের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সম্মানের মুকুট মাথায় তুললেন স্পেনের অধিনায়ক রদ্রি।
মেটলাইফ স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনার আক্রমণভাগকে পুরো ম্যাচ জুড়ে বোতলবন্দি করে স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ের রাতেই টুর্নামেন্টের সেরা গোলরক্ষকের মুকুট মাথায় তুলেছেন উনাই সিমন। পুরো টুর্নামেন্টে প্রতিপক্ষের...
মেটলাইফ স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনার বিশ্বজয়ের স্বপ্ন চূর্ণ করে স্পেনের ট্রফি উদযাপনের রাতেই বিশ্বমঞ্চে রচিত হলো আরও এক সোনালী ইতিহাস। রোববারের সেই রক্তক্ষয়ী ফাইনালে আলবিসেলেস্তেদের ১-০ গোলে হারিয়ে...
নিউ জার্সির স্টেডিয়ামে ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ও দীর্ঘতম মহাযজ্ঞের অবসান ঘটল এক চরম নাট্যমঞ্চের মধ্য দিয়ে। বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে অতিরিক্ত সময়ের স্নায়ুক্ষয়ী লড়াইয়ে ১-০ গোলে গুঁড়িয়ে...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর