বিবিসি বাংলার সাবেক সাংবাদিক কাদের মাহমুদের জীবনাবসান 

আপডেট : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ০৯:৪৩ এএম

বিবিসি বাংলার সাবেক সাংবাদিক, যুক্তরাজ্য প্রবাসি কলামিষ্ট ও লেখক কাদের মাহমুদ আর নেই। দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত রোগে ভোগার পর শুক্রবার স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে চারটায় লন্ডনের নিকটবর্তী শহর সারে নিজ বাসভবনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৮১ বছর, তিনি দুই কন্যা ও এক পুত্র সন্তান রেখে গেছেন।

ষাট ও সত্তরের দশকে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠিত সাংবাদিক, কথা সাহিত্যিক কাদের মাহমুদ বিলেতবাসী হন বিবিসি বাংলায় চাকুরীর সুবাদে। বিবিসি’র চাকুরীর মেয়াদ শেষ হলে যোগ দেন লন্ডন থেকে প্রকাশিত “সাপ্তাহিক জনমত”-এ। বিলেতের প্রাচীনতম বাংলা সাপ্তাহিক জনমত এর সাবেক নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

বাংলাদেশের ময়মনসিংহে জন্মগ্রহনকারী ও ঢাকায় বেড়ে ওঠা কাদের মাহমুদ গত শতাব্দীর সত্তর ও আশির দশকে বিলেতে বাংলা সাহিত্য, সংস্কৃতি আর সাংবাদিকতার জগতে অন্যতম প্রাণপুরুষ ছিলেন। ১৯৬৯ সালে লন্ডনে “সাপ্তাহিক জনমত” পত্রিকাটি জন্ম নিলেও সত্তর দশকের মাঝামাঝিতে কাদের মাহমুদের হাত ধরেই পত্রিকাটি একটি আধুনিক, কমিউনিটি বান্ধব প্রগতিশীল পত্রিকায় রূপ নেয়।

কাদের মাহমুদ ছিলেন একাধারে সাংবাদিক, কবি, ছড়াকার, গল্পকার, শিশুতোষ লেখক এবং প্রগতিশীল চিন্তা-চেতনার প্রবন্ধকার। কাদের মাহমুদের জনপ্রিয় কলাম “জনৈকের জার্নাল” ব্যাপক পাঠক সমাদৃত ছিল।

এআর
লেখক, সাংবাদিক ও প্রামাণ্যচিত্র নির্মাতা শামীম আল আমিনের নতুন বই ‘নির্বাচিত গল্প তোমার অসীমে’ নিয়ে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো বর্ণাঢ্য একটি অনুষ্ঠান। নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসের জুইশ সেন্টারে...
ভারতের জাতীয় রাজধানী দিল্লিতে নিট-ইউজি ২০২৬ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংসদ অভিমুখে অগ্রসর হওয়া তেলাপোকা জনতা পার্টি (সিজেপি)-র নেতৃত্বাধীন বিক্ষোভকারীদের ওপর দিনভর ব্যাপক...
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া বিভিন্ন হত্যাসহ হয়রানিমূলক মামলাগুলো যাচাই-বাছাই করে প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদীয়...
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে ফ্যাসিবাদ বিরোধী যুগপৎ আন্দোলনে শরিক নেতাদের উদ্দেশ্য বলেছেন, আমরা অতীতে একসাথে ছিলাম, আছি এবং একসাথেই থাকবো।
স্বাক্ষরিত জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে পালন করবে বিএনপি সরকার। যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের এমনটিই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর