আগস্টেই ৭১ হাজারের বেশি মানুষ ডেঙ্গু আক্রান্ত, ৩৪২ মৃত্যু

ডেঙ্গুতে কেবল আগস্টেই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৭১ হাজারেরও বেশি মানুষ। মারা গেছে ৩৪২ জন। থেমে থেমে বৃষ্টির কারণে ঝুঁকি থেকেই যাচ্ছে, বলছেন বিশেষজ্ঞরা। তাই জনসচেতনতায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে উত্তরের মেয়র সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু করলেন হ্যাশট্যাগ ফাইট উইথ বাইট কার্যক্রম।

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত আর মৃত্যুর সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে এবারের আগস্টে। শ্রাবণ শেষ হলেও এখনও রাজধানীতে বৃষ্টি চলে থেমে থেমে। আবার বৃষ্টি শেষেই ওঠে রোদ, যা এডিস প্রজননে বেশি সহায়ক। তাই, আগস্ট শেষ হলেই ডেঙ্গু প্রকোপ কমে যাবে, এমনটা ভাবতে নারাজ নগর কর্তৃপক্ষ।

এসব বিষয় মাথায় রেখেই ডেঙ্গু নিয়ে সচেতনতা কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে সিটি কর্পোরেশনগুলো। বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁও এর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব একাডেমি স্কুলে শিক্ষার্থীদের মাঝে সচেতনতামূলক বই বিতরণ করে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন। 

এদিন পথ নাটকের মাধ্যমে তুলে ধরা হয় জমে থাকা পানিতে মশা জন্মানোর গল্প। অনুষ্ঠানে যোগ দেয়া জনস্বাস্থ্যবিদরা জানান, মশার উৎপত্তিস্থল ধ্বংসের পাশাপাশি জ্বর নিয়েও হতে হবে সাবধানী।

প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক এ বি এম আবদুল্লাহ বলেন, ৬০ থেকে ৬৫ ভাগ মশা ঘরে উৎপাদিত হয়। তাই একে বলে গৃহপালিত মশা। এরা ভদ্র মশা। আমাদের দায়িত্ব হলো, আমরা যেহেতু শক্র চিনি, এদের বাড়তে না দেওয়া।

আইইডিসিআরের উপদেষ্টা মুশতাক হোসেন বলেন, কারও যদি জ্বর হয়, শরীর খারাপ হয়- তাহলে যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। প্রয়োজনে ডেঙ্গু পরীক্ষা করাতে হবে।

এই সচেতনতা কার্যক্রমে যোগ দেয় সোশ্যাল মিডিয়ার ইনফ্লুয়েন্সাররাও। এসময় ডেঙ্গু নিয়ে সচেতনতা তৈরিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘ফাইট উইথ বাইট’ হ্যাশট্যাগের প্রচলন শুরু করেন উত্তরের মেয়র।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, আমরা সবাইকে আমাদের কার্যক্রমে যুক্ত করতে চাই। সকলের একসাথে কাজ করতে হবে।

মেয়র জানান, সব স্তরের মানুষের অংশগ্রহণ ছাড়া এডিস নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়।