বাজেটে নতুন অর্থবছরে শিক্ষাখাতে বরাদ্দ থাকছে ৮৮ হাজার ১৬২ কোটি টাকা, যা গেলো বছরের তুলনায় ৭ হাজার কোটি টাকারও বেশি।
শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাত মিলিয়ে বাজেটে বরাদ্দ ১৩.৭ শতাংশ।
কোভিড পরবর্তী শিক্ষা ব্যবস্থায় পরিকল্পিত অর্থ বরাদ্দ ও নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নের দায়িত্ব থাকছে এবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাঁধে।
স্মার্ট বাংলাদেশের জন্য স্মার্ট শিক্ষাক্রম। ২০২৩ থেকেই শুরু হলো নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নের কাজ। ধাপে ধাপে এই কার্যক্রম শেষ হতে সময় লাগবে ২০২৭ সাল পর্যন্ত। এই কর্মযজ্ঞের জন্য শিক্ষার্থীদের নতুন বইসহ দরকার হবে শিক্ষকদের ব্যাপক প্রশিক্ষণ। সেই সাথে কোভিড পরবর্তী শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া আর বাল্যবিয়ের মত ঝুঁকি কমানোও লক্ষ্য।
শিক্ষাবিদ রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা, শিক্ষকদের যোগ্যতা এবং শিক্ষার্থীদের শেখার দক্ষতা আমরা কোভিডের সময় হারিয়ে ফেলেছি।
এমন বাস্তবতায় শিক্ষার দুই মন্ত্রণালয় এবার বরাদ্দ পাচ্ছে ৮৮ হাজার কোটি টাকার বেশি। যা গেলো বছর ছিলো ৮১ হাজার কোটি টাকা। শিক্ষা ও প্রযুক্তি মিলে এই খাতে বরাদ্দ এবার ১৩.৭ শতাংশ।
নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়ন ও শিক্ষকদের প্রশিক্ষিত করার চ্যালেঞ্জ নিতে থাকছে শিক্ষার দুই মন্ত্রণালয়ের কাঁধে। সেই হিসেবে কেমন হলো বাজেটের বরাদ্দ?
শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী বরাদ্দ বাড়াকে ইতিবাচক বলছেন। তিনি বলেন, এখন সঠিক উপায়ে এর বাস্তবায়নটাই চ্যালেঞ্জ।
আরও পড়ুন: টিস্যু পেপারের দাম বাড়তে পারে
২০২১-২২ অর্থবছর শিক্ষায় বরাদ্দ ছিল ৭১ হাজার ৯৫৪ কোটি টাকা। শিক্ষাখাতে বাজেটের বরাদ্দ পর্যায়ক্রমে বাড়ানো হয়েছে।
একাত্তর/জো
