জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যাত্রাবাড়ী এলাকায় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিচার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দ্রুততম সময়ে শেষ করার ঘোষণা দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি জানান, এই আন্দোলনে যাত্রাবাড়ীতে শহীদদের প্রাথমিক তালিকায় ৮৫ জনের নাম উঠে এসেছে। এর মধ্যে শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার দিন, অর্থাৎ পাঁচ আগস্ট এক দিনেই ৫০ থেকে ৫৫ জন প্রাণ হারিয়েছেন।
রোববার (২ আগস্ট) রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর নবী টাওয়ার কনফারেন্স রুমে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয় আয়োজিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যাত্রাবাড়ী: শহীদ পরিবার ও আহতদের গণশুনানি’ অনুষ্ঠানে তিনি এসব তথ্য জানান।
চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যাত্রাবাড়ী হত্যাকাণ্ডের মামলাকে আমরা সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি। যাত্রাবাড়ীতে যে গণহত্যা হয়েছে, তার বিচার অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে ও অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শেষ করা হবে।
প্রতিটি হত্যার বিচার নিশ্চিত করার অঙ্গীকার জানিয়ে তিনি এই বিচার কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন।
তিনি আরও জানান, যাত্রাবাড়ীর সব হত্যাকাণ্ডের মামলা এখনও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আসেনি। যেগুলোর মামলা স্থানীয় থানায় নথিভুক্ত হয়েছে, সেগুলোকে ট্রাইব্যুনালে নিয়ে আসার পরিকল্পনা রয়েছে। আর যেসব মামলার তদন্ত এখনও শেষ হয়নি, ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা তা দ্রুততম সময়ের মধ্যে শেষ করবে।
অনুষ্ঠানে জানানো হয় যাত্রাবাড়ীতে তামিম হত্যার বিচারপ্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে। শহীদদের প্রাথমিক তালিকা ৮৫ জনের কথা বলা হলেও চূড়ান্ত তদন্ত শেষে এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানান চিফ প্রসিকিউটর।
