শেরপুরে সরিষার হলুদ ফুলে ছেয়ে গেছে দিগন্ত জোড়া ফসলের মাঠ। হিমেল বাতাসে মৌমাছির গুঞ্জনে মুখরিত সরিষা ফুলের হলুদ রাজ্য। এ যেন এক হলদে রাজ্যের অপরূপ সৌন্দর্য। দেখেই মনে হয় হলুদ বরণে সেজেছে প্রকৃতি।
কৃষকরা জানান, এবার ফলন হবে বাম্পার। এদিকে রোদের ঝলমল আলোয় প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য দেখতে ভিড় করছে মানুষ।
দিগন্ত জুড়ে যতদূর চোখ যায় শুধু হলুদ আর হলুদ। প্রকৃতি যেন হলুদ শাড়ী পরিধান করে আছে। হলুদের চাদর মোড়ানো সরিষা ফসলের মাঠ। সরিষা ফুলের ম ম গন্ধে ভরে গেছে গ্রামের পর গ্রাম। মূলত আমন ধান কাটার পর বাড়তি ফসল হিসেবে সরিষার মূল্য চড়া হওয়ায় কৃষকদের সরিষা চাষে আগ্রহ বৃদ্ধি পেয়েছে।
স্থানীয় চাষিরা বলেন, শেরপুর জেলা সদরসহ পাঁচ উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি সরিষার আবাদ হয়েছে নকলা ও শ্রীবরদী উপজেলায়। এ উপজেলার কৃষকরা বাম্পার ফলনের স্বপ্ন দেখছেন। তারা জানান, অল্প খরচে স্বল্প সময়ে বেশি লাভের আশায় তারা সরিষা আবাদ করেছেন। পাশাপাশি আগের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে সরিষা চাষ।
আরও পড়ুন: কুষ্টিয়ায় ট্রাকের ধাক্কায় চারজন নিহত
জেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. মুহিত কুমার দে জানান, জমিতে সরিষা চাষ করলে সরিষার ফুল ও সরিষা ঝরে পড়ে মাটিতে মিশে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে। যা পরবর্তীতে বোরো আবাদে অধিক ফলন পেতে সার হিসেবে কাজ করে।

কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, চলতি মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ৭ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে; ইতোমধ্যে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে ৭ হাজার ২১৫ হেক্টর জমিতে। যা গত তিন বছরের মধ্যে এবার সরিষার আবাদ অনেক বেশি হয়েছে।
একাত্তর/আরএ
