করোনার নতুন অতি-সংক্রামক ধরন ওমিক্রন এর প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় নীলফামারীতে জনসচেতনতা মূলক কার্যক্রম চালিয়েছে নীলফামারী জেলা প্রশাসন।
বুধবার (১৯ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে এগারোটায় শহরের বঙ্গবন্ধু চত্বর থেকে একটি শোভাযাত্রা বের হয়ে শহর প্রদক্ষীণকালে পথচারী ও দোকানদারসহ বিভিন্ন শ্রেণির মানুষকে সচেতন করার পাশাপাশি মাস্ক বিতরণ করা হয়।
স্বাস্থবিধি ও সরকারী নির্দেশনা মানাতে আগামীকাল বৃহষ্পতিবার থেকে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে বলে জানান অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মুরাদ হাসান বেগ ও জেলা তথ্য কর্মকর্তা প্রকাশ চন্দ্র রায় প্রমূখ।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আজহারুল ইসলাম জানান, দেশে আবারো কোভিড-১৯ ডেল্টা ভেরিয়েন্টের পাশাপাশি নতুন ভেরিয়েন্ট ওমিক্রনের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পেলেও জনসাধারণ সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে স্বাস্থ্যবিধি ও মাস্কা ছাড়া অবাধ চলাচল করছে। এতে করে জেলায় কোভিড-১৯ আক্রান্তের ঝুঁকি বাড়ছে। জেলার প্রত্যেকটি নাগরিক যাতে কোভিড-১৯ থেকে নিরাপদ রাখা যায়, সেই জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই অভিযান চলমান থাকবে।
পাশাপশি স্বাস্থবিধি অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার থেকে জেলার ছয় উপজেলায় ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে আইন প্রয়োগের কার্যক্রম শুরু করা হবে।
নীলফামারী সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর কবির জানান, গত ২৪ ঘন্টায় জেলায় মোট ৩৫ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৯ জন কোভিড-১৯ পজেটিভ হয়েছেন।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, কোভিড-১৯ শুরু থেকে এযাবৎ মোট ৩৬ হাজার ৮টি নমুনা পরীক্ষায় ৪ হাজার ৪৮৭ জন করোনা পজেটিভ হন। আক্রান্তদের মধ্য থেকে এখন পর্যন্ত ৭৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ২১ জন। মোট আক্রান্ত থেকে এখন পর্যন্ত সুস্থ্য হয়েছেন ৪ হাজার ৩৯২ জন।
কর্মসূচিতে অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা জয়নাল আবেদীন, সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর কবির, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আজাহারুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মুরাদ হাসান বেগ ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুক্তারুজ্জামান ও জেলা তথ্য কর্মকর্তা প্রকাশ চন্দ্র রায়।
একাত্তর/এসএ
