সাগরদ্বীপ দুবলার চরে প্রথমবারের মতো পালিত হলো আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবসের অনুষ্ঠান। দুবলার আলোরকোল জেলেপল্লীর পাঁচ হাজারেও বেশি মৎস্যজীবী সমবেত হয়ে নানা আনুষ্ঠানিকতার মধ্যদিয়ে স্মরণ করেন ভাষা শহীদদের। এ জন্য সেখানে প্রথমবারের মতো নির্মাণ করা হয়েছে দৃষ্টি নন্দন শহীদ মিনার।
দুবলা ফিশারমেন গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. কামাল উদ্দীন আহম্মেদ জানান, মৎস্য আহরণ ও শুটকি প্রক্রিয়াজাতকরণে সম্পৃক্ত হাজার হাজার মানুষ ফেব্রুয়ারি মাসে এ সাগরদ্বীপে অবস্থান করেন। জেলেদের মধ্যে দিনটির প্রতি অনেক আবেগ থাকলেও আনুষ্ঠানিকভাবে ভাষা শহীদদের স্মরণ করতে পারতো না। বিষয়টি মাথায় রেখে এ বছর দুবলার চরে বনবিভাগের সহায়তায় শহীদ মিনার নির্মাণ করা হয়েছে। এখন থেকে প্রতিবছর ২১ ফেব্রুয়ারি যথাযোগ্য মর্যাদায় শহীদ স্মরণে এখানে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করা হবে।
আরও পড়ুন: অমর একুশেতে বিজাতীয় সংস্কৃতি রুখে দেয়ার ডাক
পূর্ব সুন্দরবনের দুবলা ফরেস্ট টহল ফাঁড়ির ইনচার্জ প্রহলাদ চন্দ্র রায় জানান, প্রথমবারের মতো এখানে নানা আয়োজনে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবস পালিত হয়েছে। মধ্যে ছিলো রাত ১২টা এক মিনিটে শহীদ বেদিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ, প্রভাতফেরি ও শহীদ স্মরণে আলোচনা অনুষ্ঠান। বনবিভাগ ও ফিশারমেন গ্রুপের অয়োজনে জেলে এবং ব্যবসায়ীদের নিয়ে এ দিবসটি পালন করা হয়। আলোরকোল ছাড়াও বঙ্গোপসাগর তীরবর্তী শ্যালারচর, নারকেলবাড়িয়াসহ বিভিন্ন চরের জেলে ও শুটকি ব্যবসায়ীরা শহীদ মিনারে পুষ্প ও মাল্যদান করে শহীদের শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।
একাত্তর/এসি
