চকোরিয়ার ভূমি দস্যুদের দৌরাত্মে বিলীন হচ্ছে টিলা

আপডেট : ১০ এপ্রিল ২০২২, ০৫:১৪ পিএম

কক্সবাজারে চকরিয়ায় অবিরাম কাটা হচ্ছে টিলা। নষ্ট করা হচ্ছে বনায়ন। শুধু পাহাড় কেটেই ক্ষান্ত হচ্ছে না সেখানকার ভূমি দস্যুরা। 

সেখানে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ ফুট গভীর গর্ত করে মাটি তুলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে দেশের নানা প্রান্তে। এলাকাবাসীর অভিযোগ ধ্বংসযজ্ঞের এই খবর জেনেও নীরব প্রশাসন। 

ঘটনাস্থল দাঙ্গার বিলের রংমহল গ্রাম। বিশাল এ বিলের কিছু জমির মালিকানা নিয়ে এক সময় দ্বন্দ্ব-সংঘাত লেগেই থাকতো। যে কারণে জায়গাটি দাঙ্গার বিল নামেই সবার কাছে পরিচিত।

সেখানের রংমহল গ্রামের ৫০০ একর জমি জুড়ে ছিলো বড় আকারের টিলা ও বনায়ন। কিন্তু সেই টিলা কাটতে কাটতে এখন সমতল ভূমি। 

প্রায় ৫০ থেকে ৬০ ফুট গভীর গর্ত করে সেখান থেকেও তোলা হচ্ছে মাটি। পরিবেশ বিধ্বংসী অপতৎপরতার কারণে এক পাশে সাফারি পার্ক, পাহাড়ি টিলাসহ গ্রাম হুমকির মুখে পড়েছে।

এরই মধ্যে হেলে পড়েছে পার্কের নিরাপত্তা দেওয়াল। এছাড়া যে কোনো মূহুর্তে আশপাশের টিলা সেখানে ধসে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

প্রায় বছর খানেক ধরেই একটি প্রভাবশালী মহল এখানে চালাচ্ছে ধ্বংসযজ্ঞ। প্রতিদিন শত শত ট্রাকে এখান থেকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে মাটি। 

সরবরাহ করা হচ্ছে দেশের নানা জায়গায়। শ্রমিকরা জানায়, এলাকার অনেকের হয়েই তারা মাটি কাটছেন। এদিকে মাটি কাটার ফলে দূষিত হচ্ছে রংমহল গ্রামের বাতাস।

এলাকার জন প্রতিনিধিরা বলছেন ধ্বংসযজ্ঞের কথা জেনেও নীরব প্রশাসন। আর বন বিভাগের কর্তারা বলছেন লোকবলের অভাবে অভিযান করতে পারছেন না তারা। 

এদিকে স্থানীয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেপি দেওয়ান জানান, পরিবেশ ধ্বংসরোধে জেলা প্রশাসনকে পদক্ষেপ নেয়ার অনুরোধ করেছেন তিনি। 

এরই মধ্যে পরিবেশ বিধ্বংসী কাজে বাঁধা না দেয়ায় কক্সবাজার জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে মামলা করেছে পরিবেশবাদী সংগঠন বেলা।



একাত্তর/ এনএ
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীর চরাঞ্চলে নতুন বনায়ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। উপকূলীয় এলাকার জনগোষ্ঠীকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে জানমাল রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় এ উদ্যোগ।
সাতক্ষীরার দেবহাটা থেকে একটি অবৈধ অস্ত্র ও দুই রাউন্ড গুলিসহ এক ভূমিদস্যু ও সন্ত্রাসীকে আটক করেছে পুলিশ।বৃহস্পতিবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার দক্ষিণ পারুলিয়া জেলেপাড়া এলাকার একটি ইটভাটার কাছ থেকে...
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে ফ্যাসিবাদ বিরোধী যুগপৎ আন্দোলনে শরিক নেতাদের উদ্দেশ্য বলেছেন, আমরা অতীতে একসাথে ছিলাম, আছি এবং একসাথেই থাকবো।
স্বাক্ষরিত জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে পালন করবে বিএনপি সরকার। যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের এমনটিই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে স্পেনের মহাকাব্যিক জয় শুধু একটি ঐতিহাসিক ট্রফি অর্জন আর রূপকথার গল্প নয়, এটি ছিল ফুটবলের এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজংশে ব্যাটন হস্তান্তরের স্মারক। ফুটবল...
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের রোমাঞ্চকর ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে ইনজুরি টাইমে ফেরান তোরেসের অবিশ্বাস্য গোল স্প্যানিশ ফুটবলে নতুন ইতিহাস লিখেছে। ২০১০ সালে আন্দ্রেস ইনিয়েস্তার সেই ঐতিহাসিক জয়ের পর দেশকে...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর