কুড়িগ্রামে এক সপ্তাহের বেশি বৃষ্টি আর ভারতের পাহাড়ি ঢলে রৌমারী উপজেলায় আকস্মিক বন্যা দেখা দিয়েছে। জেলার বড় বড় নদ-নদীর পানি কম থাকলেও ভারতের আসাম রাজ্যের পাহাড়ি ঢলের লাল পানি রৌমারীর কালোর, ধরণী এবং জিঞ্জিরাম নদী বেয়ে সৃষ্ট হয়েছে আকস্মিক এই বন্যা।
এতে করে উপজেলার চারটি ইউনিয়নের ৪০টি গ্রামের প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। ধান, পাট এবং শাকসবজিসহ ১০৭ হেক্টর ফসলী জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। উপজেলার ২১টি বিদ্যালয় পানি ওঠায় ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষার্থীদের পাঠদান। দুর্গত এলাকায় বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়েছে। অপরদিকে হঠাৎ বন্যায় খড় ভেসে যাওয়ায় গো-খাদ্যের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। টানা বৃষ্টি আর বন্যা খেটে খাওয়া মানুষ কাজ করতে না পেরে চরম বিপাকে পড়েছেন।
আরও পড়ুন: কুসিক নির্বাচন: ভোটের দিন বহিরাগত প্রবেশ নিষেধ
যাদুরচর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সরবেশ আলী জানান, পাহাড়ি ঢল থেকে সৃষ্ট বন্যায় তার ইউনিয়নের ২০-২২টি গ্রামের প্রায় ২৫ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। তবে এখন পর্যন্ত সেখানে কোনো ত্রাণ সহায়তা পৌঁছায়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এদিকে রৌমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুল আলম রাসেল জানান, দু’দিনের বন্যায় সরকারিভাবে জিআর-এর তিন লাখ টাকা বরাদ্দ পেয়েছে। এই টাকা দিয়ে শুকনা খাবার ক্রয় করে বানভাসিদের মাঝে বিতরণ করা হবে। এছাড়াও অতিরিক্ত বরাদ্দের জন্য জেলা প্রশাসককে জানানো হয়েছে বলে জানান তিনি।
একাত্তর/এসজে
