কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের (কুসিক) নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট শেষে চলছে গণনা। শুরু থেকেই এগিয়ে আছেন ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের প্রার্থী আরফানুল হক রিফাত।
তার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন কুসিকের দুইবারের মেয়র ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কু। আর আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী নিজাম উদ্দিন কায়সার কিছুটা হলেও লড়াইয়ে আছেন।
এর আগে কোনো সহিংসতা বা বড় অভিযোগ ছাড়াই বুধবার বিকেল চারটায় শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয় কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোট গ্রহণ।
বিকাল চারটার দিকে ভোট নেয়া শেষ হলেও কেন্দ্রে উপস্থিত সব ভোটার ভোট দিতে পেরেছেন। তবে ইভিএমের ধীর গতির অভিযোগ ছিলো দিনভর।
বুধবার সকাল ঠিক আটটায় শুরু হয় ভোট গ্রহন। সকালের মেঘলা আকাশ উপেক্ষা করে কেন্দ্রে আসতে শুরু করেন ভোটটাররা। পুরুষের চাইতে নারী ভোটারের উপস্থিত বেশি।
অনেকেরই এটি ছিলো জীবনের প্রথম ভোট। তাদের আগ্রহ ছিলো ইভিএমে ভোট দেয়া নিয়ে। অপেক্ষার লাইনে ছিলেন প্রবীন ভোটাররাও।
সকালের নির্বিঘ্ন ভোটের এক ঘন্টা পরই বিপত্তি তৈরি করে ঝুম বৃষ্টি। বৃষ্টির বাধায় কমে যায় ভোটার উপস্থিতি। তবে খানিক পরই রোদ উঠলে আবারও লাইনে ফেরেন ভোটাররা।
তখনই ভোট দেন প্রার্থীরাও। তিন প্রার্থীই নিজের জয়ের ব্যাপারে ছিলেন আশাবাদি। তবে কিছু কিছু কেন্দ্রে ইভিএমের ধীরগতির অভিযোগ করেন ভোটাররা।
কোথাও কোথাও তিনঘন্টা অপেক্ষার পর মেলে ভোট দেয়ার সুযোগ। তবে, রিটানিং কমকর্তা শাহেদুন্নবী চৌধুরী জানান, ইভিএম নিয়ে বড় কোন জটিলতা হয়নি।
বড় কোন বিপত্তি ও প্রার্থীদের পাল্টা পাল্টি কোন অভিযোগ ছাড়াই শেষ হয় কুমিল্লা সিটির ভোট। ১০৫টি ভোটকেন্দ্রের ৬৪০টি বুথে ইভিএমে ভোট দিলেন প্রায় আড়াই লাখ ভোটার।
যাদের রায়ে নির্ধারিত হবে কুমিল্লা সিটির নগর পিতা। আর নতুন সেই অভিভাবকের নাম জানতে আর খুব বেশি অপেক্ষায় থাকবে হচ্ছে না কুমিল্লা নগরবাসীদের।
একাত্তর/এআর
