টাঙ্গাইলে ঈগল এক্সপ্রেসের চলন্ত বাসে ডাকাতি ও দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া আরও দুইজন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) বিকেলে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নওরিন করিম তাদের জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করেন।
এরা হলেন, মূল পরিকল্পনাকারী রতন হোসেন (২১) এবং আব্দুল মান্নান (২২)। এ নিয়ে এ পর্যন্ত মোট ১১ জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
টাঙ্গাইলের আদালত পরিদর্শক তানভীর আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, রতন হোসেন, আব্দুল মান্নান, খন্দকার মো. হাসমত আলী ওরফে দীপু এবং মো. জীবন ডিবি হেফাজতে তিন দিনের রিমান্ডে ছিলেন। রিমান্ড শেষ হওয়ায় বৃহস্পতিবার তাদেরকে আদালতে তোলা হয়।
এর মধ্যে রতন ও মান্নান আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। রিমান্ড শেষ হওয়ায় অপর দুইজনকে কারাগারে পাঠানো হয়।
এর আগে গতকাল বাবু হোসেন (২১) এবং সোহাগ মণ্ডল (২০) আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
এ ঘটনায় রোববার রাতে র্যাব ১০ জনকে গ্রেপ্তার করে। পরে সোমবার রাতে ডিবি পুলিশের কাছে তাদেরকে হস্তান্তর করা হয়।
আরও পড়ুন: ভেজাল-লাইসেন্স ছাড়া ওষুধ উৎপাদনে ১০ বছরের জেল
এর আগে টাঙ্গাইলের জেলা গোয়েন্দা পুলিশ এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। শনিবার রাতে ওই তিন ডাকাত আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
উল্লেখ্য, গত ২ আগস্ট রাতে কুষ্টিয়া থেকে ছেড়ে আসা ঈগল এক্সপ্রেসের একটি বাসে ডাকাতি ও গণধর্ষণের ঘটনা ঘটে। ডাকাতি শেষে রাত সাড়ে ৩টার দিকে টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার রক্তিপাড়া জামে মসজিদের পাশে বালুর ঢিবির কাছে বাসটি ফেলে রেখে ডাকাতরা পালিয়ে যায়।
