বগুড়ার শীর্ষ সন্ত্রাসী ও বালু ব্যবসায়ী আখের আলীর (৩৮) গলাকাটা লাশ নন্দীগ্রাম থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। সে একাধিক হত্যা মামলার আসামি বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।
আখের আলীর বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে আপন বড় ভাই রাশেদ, যুবলীগ নেতা মানিক ও বালু ব্যবসায়ী সবুজ হত্যা মামলা, ডাকাতির প্রস্তুতি, ছিনতাইসহ আরো ৭-৮ টি মামলা রয়েছে।
সোমবার (২২ আগস্ট) দুপুরে নন্দীগ্রাম পৌর এলাকার বগুড়া-নাটোর মহাসড়কের পূর্বপাশে ওমরপুর কালিকাপুর মাঠের সতীশ চন্দ্র কারিগরি কলেজের পাশের একটি ধানক্ষেত থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পাশের জঙ্গল থেকে একটি মোবাইল ফোন, ১৫০ সিসি কালো রঙের একটি পালসার মোটরসাইকেল ও একটি হেলমেট উদ্ধার করেছে পুলিশ। শীর্ষ সন্ত্রাসী আখের আলী বালু ব্যবসায়ী ছিলেন। তিনি বগুড়া সদরের সাবগ্রাম চান্দপাড়া এলাকার মোয়াজ্জেম হোসেনের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকাল ১০টার দিকে কৃষকেরা জমির কাদা-পানিতে মরদেহ পড়ে থাকা অবস্থায় দেখেন। এ খবর পেয়ে শতশত মানুষ ঘটনাস্থলে ভিড় করে। পরে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকায় থমথমে ভাব বিরাজ করছে। মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে নিহতের পরিচয় সনাক্ত করা হয়।
নন্দীগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, ধারণা করা হচ্ছে পরিকল্পিতভাবে তার ঘনিষ্ঠ কেউ ডেকে এনে গলা কেটে হত্যা করেছে। আখের আলীর নামে হত্যাসহ অসংখ্য মামলা রয়েছে। হত্যার সাথে জড়িতদের সনাক্ত করতে কাজ করছে পুলিশ। একাত্তর/এআর
