নীলফামারীর ডোমারে স্ত্রী ও শিশুকন্যাকে হত্যার পর আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন এক ব্যক্তি। এসময় তিনি নিজের শাশুড়িকে কুপিয়ে রক্তাক্ত করেন ও ১৪ দিন বয়সী অপর শিশুকন্যাকে পুকুরে ফেলে দিয়ে হত্যার চেষ্টা করেন।
বুধবার (৩১ আগস্ট) দুপুরের দিকে ডোমার উপজেলার বোড়াগাড়ি ইউনিয়নের নিমজখানা গ্রামের হরতকীতলায় মহল্লায় এই ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- রত্না বেগম (২৬) ও তার আড়াই বছরের শিশু কন্যা ইয়াসমিন আরা। ঘাতকের নাম জিয়ারুল ইসলাম (৪৫)।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, সকালে শ্বশুরবাড়িতে আসেন জিয়ারুল ইসলাম। এসময় সেখানে স্ত্রী রত্না বেগমের সাথে তার বাকবিতণ্ডা হয়।
এক পর্যায়ে জিয়ারুল ধারালো অস্ত্র দিয়ে রত্না বেগম, আড়াই বছরের শিশুকন্যা ইয়াসমিন আরা ও শাশুড়ি বিলকিস বেগমকে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে রক্তাক্ত করেন।
এসময় ঘটনাস্থলেই মারা যান রত্না ও ইয়াসমিন। এরপর জিয়ারুল তার ১৪ মাস বয়সী আরেক কন্যাসন্তানকে পুকুরের পানিতে ফেলে দেন ও একই অস্ত্র দিয়ে নিজের পেট ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে কেটে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।
খবর পেয়ে পুলিশ জিয়ারুল ও তার ১৪ দিনের শিশুকন্যা এবং শাশুড়ি বিলকিস বেগমকে উদ্ধার করে ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান।
আরও পড়ুন: সিলেটে সৎমাকে হত্যার দায়ে তরুণের যাবজ্জীবন
ডোমার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মাহমুদ উন নবী বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে পারিবারিক কলহ থেকে ঘটনার সূত্রপাত হয়েছে। আহত তিনজনের মধ্যে জিয়ারুল ইসলামকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকি দুইজন ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।
তিনি আরও জানান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান ঘটনাস্থলে অবস্থান করছেন। মরদেহ উদ্ধার ও সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির প্রক্রিয়া চলমান।
একাত্তর/এসজে
