চাপাইনবাবগঞ্জের জিয়ানগর এলাকার একটি বসত বাড়িতে ককটেল বানাতে গিয়ে বিস্ফোরণে দগ্ধ ফাহমিনা বেগম (৬০) মারা গেছেন।
সোমবার ( ২৪ অক্টোবর) বিকেল চারটার দিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
নিহতের মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তার মরদেহটি পরিবারকে বুঝিয়ে দেয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এর আগে রোববার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানার এসআই জালাল উদ্দিন বাদী হয়ে ওই ঘটনার পর বিস্ফোরকদ্রব্য আইনে শহিদুল ইসলাম, ফাহমিনা বেগম ও বিল্টুসহ অজ্ঞাত দুই থেকে তিন জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন এই পুলিশ কর্মকর্তা। তবে এখনো পর্যন্ত এ ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়নি পুলিশ।
এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই জালাল উদ্দিন জানান, মৃত ফাহমিনা বেগম এ মামলার দ্বিতীয় আসামি ছিলেন। যেহেতু তিনি মারা গেছেন ফলে তার মরাদেহটি আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারকে বুঝিয়ে দেওয়া হবে। বাকি আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রেখেছে পুলিশ।
উল্লেখ্য, শনিবার (২২ অক্টোবর) রাত পৌণে ৯টার দিকে পৌর এলাকার উদয়ন মোড়-জিয়ানগর এলাকায় ককটেল বানাতে গিয়ে তাহমিনা বেগম ও তার ছেলে শহিদুল ইসলাম গুরুতর দগ্ধ হয়। এ সময় বিকট শব্দে বিস্ফোরণে ঘরের জানালা উড়ে যায় ও আসবাবপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়। গুরুতর দগ্ধ হোন মা-ছেলে উভয়ে।
এ সময় স্থানীয়রা মা ও ছেলেকে উদ্ধার করে প্রথমে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে চিকিৎসকদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে মাঝপথে অ্যাম্বুলেন্স থেকে নেমে দগ্ধ অবস্থায় আত্মগোপনে চলে যান মামলার প্রধান আসামি শহিদুল ইসলাম।
একাত্তর/এআর
