মাছের প্রজনন মৌসুম নির্বিঘ্ন করতে সুন্দরবনে মাছ ধরা ও সব ধরনের পর্যটন জাহাজ চলাচল প্রায় তিনমাস নিষিদ্ধ করেছে বন বিভাগ ও মৎস্য অধিদপ্তর।
শনিবার থেকে এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে। নিষেধাজ্ঞার আওতায় সুন্দরবনের খাল ও নদীতে মাছ ধরা এবং সুন্দরবনে পর্যটনবাহী নৌযান চলাচল বন্ধ থাকবে ৯২দিন। আর ৬৫ দিন বন্ধ থাকবে সাগরে মাছ ধরা।
নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন সমুদ্রে মাছ ধরার জন্য নিবন্ধিত ২৬৪০ জেলেকে ভাতা দেয়া হবে ।
বাগেরহাটের মোংলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম, মাছের প্রজনন নির্বিঘ্ন করতেই ২০মে থেকে বঙ্গোপসাগরে ও সুন্দরবনে সকল ধরণের মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
নিষেধাজ্ঞার কারণে ২৩ জুলাই পর্যন্ত সাগরে ও ৩১আগস্ট পর্যন্ত সুন্দরবনের নদী, খালে মাছ শিকার করতে পারবেন না জেলেরা। এছাড়া ৩১ অগাস্ট পর্যন্ত পর্যটনবাহী নৌ যান চলাচল বন্ধ থাকবে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বলছেন, সামুদ্রিক ৪৭৫ প্রজাতির মাছের প্রজনন নির্বিঘ্ন করতেই এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।
বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (সুন্দরবন পূর্ব ) মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন, মাছের পাশাপাশি বন্যপ্রাণীর প্রজনন নির্বিঘ্ন করতে বন্ধ থাকবে সুন্দরবনে পর্যটনবাহী নৌযান চলাচল। কারণ নৌযানের বিকট শব্দ প্রজনন কার্যক্রম বিঘ্নিত করে।
নিষেধাজ্ঞার সময়ে সমুদ্রগামী নিবন্ধিত ২৬৪০ জেলের প্রত্যেককে দুই দফায় দেয়া হবে ৮৬ কেজি করে চাল।
জেলেদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নিবন্ধিত ছাড়াও সমুদ্র ও সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল আরও কয়েক হাজার জেলে রয়েছেন।
একাত্তর/আরবি
