ফরিদপুরের ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে অ্যাম্বুলেন্সের ইঞ্জিন বিস্ফোরণে নিহত আটজনের মধ্যে সাতজনই ছিলেন একই পরিবারের সদস্য। মায়ের চিকিৎসা শেষে একসাথে ঈদ করতে গ্রামের বাড়িতে ফিরছিল ওই পরিবারটি।
শনিবার বেলা ১১টার দিকে ভাঙ্গার মালিগ্রাম অ্যাপ্রোচ সড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
এ দুর্ঘটনায় নিহতরা হলেন তাসলিমা বেগম (৫০), তার মেয়ে কমলা (৩০) ও বিউটি (২৬), হাসিব (১০), আরিফ (১২), আফসা (১), মেহেদী (১০) এবং অ্যাম্বুলেন্স চালক মৃদুল মালো।
স্বজনরা জানান, ব্রেন স্ট্রোক করে পক্ষাঘাতগ্রস্ত তাসলিমা বেগমকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দেড় মাস আগে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। দীর্ঘসময় চিকিৎসা দেবার পর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় একসঙ্গে ঈদ করতে তাকে নিয়ে অ্যাম্বুলেন্সে করে গ্রামে যাচ্ছিলেন দুই মেয়ে ও তাদের চার সন্তান।
তবে বাড়ি ফেরার পথে তাদের অ্যাম্বুলেন্সটি সড়ক বিভাজকের সাথে ধাক্কা লেগে সেটির ইঞ্জিন বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণ থেকে লাগা আগুনে ঘটনাস্থলেই পুড়ে ছাই হন তাসলিমাসহ পরিবারের সাতজন।
পরে ঢাকার শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান অ্যাম্বুলেন্সের চালকও।
আরও পড়ুন: পায়রায় জেটিতে নোঙর করা জাহাজে লস্করের মৃত্যু
ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ফেলান নগর গ্রামের তাসলিমা বেগমের বাড়িতে এখন শুনশান নীরবতা। বেঁচে থাকা এক ছেলে আর এক মেয়ে স্বজনদের বাড়িতে অবস্থান করছেন।
এ দুর্ঘটনায় শোক প্রকাশ করে শোকাহত পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এম এম মোশাররফ হোসেন মিয়া।
একাত্তর/এসজে
