পটুয়াখালীর পর্যটন এলাকা কুয়াকাটা সৈকতের পাশের একটি আবাসিক হোটেল থেকে জামায়াতের ১১ নেতা-কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় জামায়াতের নেতা-কর্মীদের হামলায় এক দারোগাসহ তিন কনস্টেবল আহত হয়েছে।
শনিবার দুপুরে হোটেল আল হেরা’র ৩০৪ নম্বর কক্ষে জামায়াত নেতাদের গোপন বৈঠক চলাকালে এ অভিযান চালায় পুলিশ। আহত পুলিশ সদস্যদের কুয়াকাটা ২০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে রয়েছেন- মহিপুর থানার উপ-পরিদর্শক শহিদুল ইসলাম এবং কনস্টেবল মাসুম, হাসান ও ফরহাদ।
আর আটক ১১ জামায়াত কর্মী হলেন জাহিদুল হক, মোজাম্মেল হক, ফারুক হোসেন, আজিজুর রহমান, আব্দুল হান্নান, আরিফ হোসেন হাওলাদার, জাহিদুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম, এনামুল হক সরদার, হালিম হাওলাদার ও হারুন অর রশিদ।

কলাপাড়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) বিমল কান্তি মল্লিক সাংবাদিকদের বলেন, আটক করা ১১ জনেরই বাড়ি ঝালকাঠি জেলার বিভিন্ন উপজেলায়।
তিনি বলেন, পুলিশ গোপন বৈঠকে খবর পায় যে, জামায়াত-শিবিরের ৪০-৫০ জনের একটি দল নাশকতার পরিকল্পনায় হোটেলে গোপন বৈঠক করছে। এর পর ওই হোটেলে অভিযান চালানো হয়।
‘এ সময় জামায়াত কর্মীরা পুলিশের ওপর হামলা করে পালানো শুরু করে। তবে পুলিশ ১১ জনকে ধরে ফেলে।’
এএসপি বিমল জানান, ঘটনাস্থল থেকে জামায়াত নেতা-কর্মীদের ব্যবহৃত মোবাইল, জিহাদি বই, দাওয়াতপত্র, সদস্য ফরম, রশিদসহ জঙ্গি সংগঠনের বিভিন্ন কাগজপত্র জব্দ করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটকরা কুয়াকাটায় সদস্য সংগ্রহের জন্য এসেছিল বলে জানিয়েছেন।
‘তাদের নাশকতার পরিকল্পনা ছিল। এই ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের শেষে আসামিদের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। পলাতক অন্যদেরও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।’
একাত্তর/আরবি
