ঢাকা কুয়াকাটা মহাসড়কের বরগুনার আমতলীর ৩০ কিলোমিটার এলাকায় বাস দুর্ঘটনা বেড়েই চলছে। চালকরা বলছেন, অদক্ষ চালক ও অবৈধ তিন চাকার যানের জন্য ঘটছে দুর্ঘটনা-প্রাণহানি। তবে পুলিশের দাবি, দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তরা আইনের সহায়তা না চাওয়ায়, নিরুপায় তারা।
এদিকে দুর্ঘটনা কমাতে হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্প স্থাপনের দাবি যাত্রী অধিকার সংরক্ষণ কমিটির।
পদ্মা সেতু চালুর পর দেশের দক্ষিণাঞ্চলের সড়কে গাড়ি চলাচল বেড়েছে কয়েকগুণ। যানবাহন বাড়ায় সড়কে প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা।
এদিকে, ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়কের বরগুনার আমতলীর মাত্র ৩০ কিলোমিটার পথেই গত দেড় বছরে ছোট-বড় দুর্ঘটনার সংখ্যা একশ’ ছাড়িয়েছে।
বাস চালকরা বলছেন, মহাসড়কে অদক্ষ চালক, অবৈধ অটোরিকশা ও থ্রি হুইলার দুর্ঘটনার বড় কারণ।
পুলিশ বলছে, দুর্ঘটনার পর মামলা না করায় আইনের আওতায় আনা যাচ্ছে না দোষীদের।
বরগুনার আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী সাখাওয়াত হোসেন তপু বলেন, যদি ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ আইনি সহায়তা না চায়- আমরা তো তাদের জোরাজুরি করতে পারি না। যথাযথভাবে সবাই সোচ্চার হলেই কমবে দুর্ঘটনা।
জেলার পুলিশ সুপার আব্দুস ছালাম বলছেন, যাত্রী চাপ বাড়ায় হাইওয়ে পুলিশের ক্যাম্প করার চেষ্টা চলছে।
আমতলী যাত্রী অধিকার সংরক্ষণ কমিটির সভাপতি শাহাবুদ্দিন পান্না জানান, পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র ও কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে পর্যটক বাড়লেও সড়ক ব্যবস্থাপনা বাড়েনি।
এই সড়কে গত দেড় বছরে ছোট-বড় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ১০ জন, আহত হয়েছেন অন্তত সাড়ে তিনশ’ মানুষ।
উত্তরবঙ্গের সঙ্গে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক