ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার দাউদকান্দিতে বাস চাপায় অটোরিকশার তিন যাত্রী নিহত হয়েছে। তারা সবাই একই পরিবারের সদস্য। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৯ জন।
বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের জিংলাতলী এলাকায় কুমিল্লামুখী কে কে ট্রাভেলস পরিবহনের যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়লে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত তিনজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। বাকিদের দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
নিহতরা হলেন- উপজেলার গৌরীপুর ইউনিয়নের পেন্নাই গ্রামের হাজারী বাড়ির মৃত রশিদ হাজারীর স্ত্রী রোসিয়া বেগম (৬২), তার বড় বোন বারপাড়া গ্রামের মৃত রেনু মিয়ার স্ত্রী ফজিলাতুন্নেছা (৬৫) এবং তার পুত্রবধূ সুমাইয়া আক্তার (২৫)।
প্রত্যক্ষদর্শী ও আহত বাসযাত্রীরা জানান, ঢাকা থেকে নোয়াখালীগামী কে কে ট্রাভেলসের একটি যাত্রীবাহী বাস উল্টো পথে আসা অটোরিকশাকে চাপা দিয়ে পাশের খাদের পানিতে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই অটোরিকশার যাত্রী ফজিলাতুন্নেছা এবং রোসিয়া বেগম মারা যান। তারা দু’জন আপন বোন।
দুর্ঘটনার পর তাৎক্ষণিক দাউদকান্দি ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা বাস ও অটোরিকশার আহত যাত্রীদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স গৌরীপুরে পাঠায়। পরে ঢাকা মেডিকেলে নেয়ার পথে সুমাইয়া আক্তার নামে অটোরিকশার আরও এক যাত্রীর মৃত্যু হয়।

বাসের অন্তত ৯ যাত্রী আহত হন দুর্ঘটনায়।
নিহতদের স্বজন রুহুল আমিন ও লোকমান হাজারী জানান, ফজিলাতুন্নেছার ছেলে আব্দুল মান্নানের শ্বশুরবাড়ি ছান্দ্রা বেড়াতে গিয়েছিল অটোতে থাকা তিনজন। সেখান থেকে ফেরার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক মো. মহসিন জানান, দুর্ঘটনায় নিহত তিনজন একই পরিবারের সদস্য। তাদের মরদেহ স্বজনদের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। বাস চালক ও হেলপার পালিয়েছে।
চার রোহিঙ্গা গ্রেপ্তার, ৪৫০০ ইয়াবা উদ্ধার