নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে আগুনে ৬ জন দগ্ধের ঘটনায় চিকিৎসাধীন মোসাম্মৎ সেলি (৩৫) নামের আরো এক জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়ালো পাঁচ জনে।
শুক্রবার বিকেল তিনটার দিকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর আগে ২৬ অক্টোবর রাতে দগ্ধ হয়ে হাসপাতালটিতে একই পরিবারের ছয় জন ভর্তি হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বার্ন ইনিস্টিউটের আবাসিক সার্জন মো. তরিকুল ইসলাম। তিনি জানিয়েছেন, নিহতের শরীরের ৩০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিলো। এর আগে একই ঘটনায় বিভিন্ন সময়ে দগ্ধ চার জন চিকিৎসাধীন থেকে মারা গেছেন।
গত শুক্রবার রাত ১১টার দিকে রূপগঞ্জ ডরগাঁও গ্রামের একটি টিন সেট বাসায় জমা গ্যাস থেকে মশার কয়েল ধরাতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে ওই বাসায় থাকা ছয় জন দগ্ধ হন। তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন এন্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনিস্টিউটে ভর্তি করা হয়।
দগ্ধরা হলেন- গৃহকর্তা মোহাম্মদ বাবুল (৪০), তার স্ত্রী মোছাম্মৎ সেলি (৩৫), ছেলে মোহাম্মদ ইসমাইল (১১), মেয়ে মোছাম্মৎ তাসলিমা (৯)। আরেক ছেলে মো. সোহেল (২০) ও তার পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী মোসাম্মৎ মুন্নি (১৮)।
বাবুল হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার শোজাপুর গ্রামের মৃত ইয়াদ আলীর ছেলে। ঘটনার সময় তার আরেক ছেলে বাইরে ছিলো।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
হাজারীবাগে দুই ভবনের মাঝে পড়ে ছিলো নবজাতকের মরদেহ