৯৪৬ কোটি টাকার জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী কিনবে সরকার

আপডেট : ০৯ নভেম্বর ২০২৫, ০৬:৩৭ পিএম

প্রত্যাশিত পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি গ্রহণের হার (সিপিআর) ও মোট প্রজনন হার (টিএফআর) অর্জনে প্রকল্প হাতে নিচ্ছে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর। এ প্রকল্পের ৯৪৬ কোটি টাকাই ব্যয় হবে জন্ম নিয়ন্ত্রণ সামগ্রী কেনায়।

রোববার (৯ নভেম্বর) পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পটি সোমবার (১০ নভেম্বর) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির সভায় (একনেক) অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। 

কমিশন সূত্র বলছে, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের হাতে নেওয়া ‘সমাপ্ত চতুর্থ সেক্টর কর্মসূচির অত্যাবশ্যকীয় পরিবার পরিকল্পনা, মা, শিশু ও প্রজনন স্বাস্থ্য সেবার অসমাপ্ত কার্যাবলী বাস্তবায়ন’ প্রকল্পটি যাচাই বাছাই শেষে একনেকে অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নের এ প্রকল্পের মোট ব্যয় হবে এক হাজার ৬৬৩ কোটি ৫৩ লাখ টাকা। এর সিংহাভাগই ব্যয় হবে জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী কেনায়। এ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে। 

প্রকল্পটির ব্যয় বিশ্লেষণে দেখা গেছে, শুধুমাত্র জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী কেনায় খরচ হবে ৯৪৬ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যয় হবে ওষুধ ও প্রতিষেধক কেনায়। এ খাতে ব্যয় হবে ১৯৩ কোটি টাকার বেশি।

প্রকল্পটি হাতে নেওয়ার যৌক্তিকতা হিসেবে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর বলছে, বাংলাদেশ সরকার সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বিশেষ করে পরিবার পরিকল্পনা খাতে মানসম্মত ও সার্বজনীন সেবা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। জাতীয়ভাবে এই প্রকল্প গ্রহণ করলে সারা দেশের পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র, মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র এবং কমিউনিটি ক্লিনিক সমভাবে সুবিধা পাবে। এতে পরিবার পরিকল্পনা সেবার সমতা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত হবে। 

সংস্থাটির ভাষ্য, জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) ৩ এবং ৫-এর আলোকে দেশব্যাপী পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম পরিচালনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী সহজলভ্য করা, নারীদের প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা উন্নত করা এবং মাতৃ ও শিশুমৃত্যু হার হ্রাস করা সম্ভব হবে। 

একই সঙ্গে যানবাহন, মেডিক্যার সরঞ্জাম, জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী ও অন্য প্রয়োজনীয় উপকরণের বিচ্ছিন্ন ও অঞ্চলভিত্তিক ব্যবস্থাপনার পরিবর্তে সমগ্র দেশের জন্য একটি সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করা অধিক কার্যকর হবে। এতে ব্যয় হ্রাস ও অপচয় কমানো সম্ভব হবে এবং পরিবার পরিকল্পনা খাতের সামগ্রিক উন্নয়ন নিশ্চিত হবে।

প্রকল্পটির উদ্দেশ্য, ২০২৪ সালের জুনে শেষ হওয়া চতুর্থ সেক্টর কর্মসূচির আওতায় সারাদেশে অত্যাবশ্যকীয় পরিবার পরিকল্পনা, মা ও শিশু স্বাস্থ্য, কিশোর-কিশোরী ও প্রজনন স্বাস্থ্যসেবার ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এই অধিদপ্তরের কার্যাবলী গতিশীল রাখার পাশাপাশি সেক্টর কর্মসূচি থেকে প্রস্থানের জন্য নতুন কর্মকৌশল গ্রহণে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।

একাত্তর/এসি
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে ফ্যাসিবাদ বিরোধী যুগপৎ আন্দোলনে শরিক নেতাদের উদ্দেশ্য বলেছেন, আমরা অতীতে একসাথে ছিলাম, আছি এবং একসাথেই থাকবো।
স্বাক্ষরিত জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে পালন করবে বিএনপি সরকার। যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের এমনটিই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে স্পেনের মহাকাব্যিক জয় শুধু একটি ঐতিহাসিক ট্রফি অর্জন আর রূপকথার গল্প নয়, এটি ছিল ফুটবলের এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজংশে ব্যাটন হস্তান্তরের স্মারক। ফুটবল...
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের রোমাঞ্চকর ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে ইনজুরি টাইমে ফেরান তোরেসের অবিশ্বাস্য গোল স্প্যানিশ ফুটবলে নতুন ইতিহাস লিখেছে। ২০১০ সালে আন্দ্রেস ইনিয়েস্তার সেই ঐতিহাসিক জয়ের পর দেশকে...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর