বুলগেরিয়ার মুসলিম বিয়েতে অভিনব রীতি

আপডেট : ২০ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৬:১৩ পিএম

বিছানায় চোখ বুজে চুপচাপ শুয়ে আছেন এক নারী। তাকে ঘিরে আছে একদল নারী। শুয়ে থাকা ওই নারীর মুখে প্রসাধনীর প্রলেপ বসাচ্ছেন তারা। নিখুঁতভাবে যত্ন করে বসানা হচ্ছে নানা রঙের চুমকি। আঁকা হচ্ছে ফুল। করা হচ্ছে নকশা। এমন বাহারি সাজ বুলগেরিয়ার মুসলিম জনগোষ্ঠী পোমাকের ঐতিহ্যবাহী বিয়ের। মুসলিম এই জনগোষ্ঠী পোমাকের বিয়ের অন্যতম মূল আকর্ষণ এই কনের মুখ পেইন্ট করে সাজানো।

বুলগেরিয়ার মুসলিম বিয়ে দুইদিন ধরে আয়োজন চলে। তারা তুর্কি-ওসমানিদের রীতি অনুযায়ী বিয়ে করে থাকেন। প্রথমদিনে বিয়ের সব উপহার কনের ঘরের বাইরে এনে রেখে আসা হয়। বিয়ের দ্বিতীয় দিন পুরো গ্রামবাসী উৎসবে মেতে ওঠে নাচে-গানে, হাসি-তামাশায়। রাস্তায় হয় ঐতিহ্যবাহী নাচ ‘হোরো’। গ্রামবাসীদের সাথে এই নাচে প্রথমে বর এবং পরে যোগ দেয় কনে।

এরপরই আসে কনের মুখ পেইন্ট করার পালা। বৈবাহিক জীবন শুরুর চিহ্ন হিসেবে কনের মুখ বিচিত্র রঙে রাঙিয়ে দেয়া হয়। এটি করতে সময় লাগে প্রায় দু’ঘণ্টা। পুরো সময়টিতে চোখ বন্ধ করে রাখেন কনে। তাকে পথ দেখিয়ে নিয়ে যায় অন্যরা। চোখ বন্ধ রেখেই আবার যোগ দেন বিয়ের অনুষ্ঠানে। বিয়ে শেষ হবার পরই মাত্র চোখ খুলতে পারে কনে। মুখ রাঙানোর এই প্রথাকে বলা হয় ‘জেলিনা’।

এরপর ইমাম এসে বিয়ে পড়িয়ে নবদম্পতিকে আশীর্বাদ ও শুভকামনা জানান। এরপর বর কনেকে নিজের ঘরে নিয়ে আসেন এবং কনের মুখ থেকে রংগুলো মুছে ফেলেন। এমনই এক বুলগেরিয়ান কনে জেরোভা।

তিনি বলেন, বিয়ের আয়োজন দু’দিন ধরে চলে। প্রথম দিনটি বরকে উৎসর্গ করা হয়, তার অতিথি, বন্ধুবান্ধব ও আত্মীয়রা আসে, চলে খাওয়া-দাওয়া। দ্বিতীয় দিনটি আমার- বন্ধু, আত্মীয়দের নিয়ে মজা করি।

পোমাক মুসলিম হল বুলগেরিয়া, উত্তর-পূর্ব গ্রিস ও উত্তর-পশ্চিম তুরস্কে বসবাসরত বুলগেরিয় স্লাভিক ভাষী মুসলিম সম্প্রদায়। বুলগেরিয়ায় বুলগেরিয় মুসলিম নামে স্বীকৃতি রয়েছে তাদের।

এআরএস
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে ফ্যাসিবাদ বিরোধী যুগপৎ আন্দোলনে শরিক নেতাদের উদ্দেশ্য বলেছেন, আমরা অতীতে একসাথে ছিলাম, আছি এবং একসাথেই থাকবো।
স্বাক্ষরিত জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে পালন করবে বিএনপি সরকার। যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের এমনটিই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে স্পেনের মহাকাব্যিক জয় শুধু একটি ঐতিহাসিক ট্রফি অর্জন আর রূপকথার গল্প নয়, এটি ছিল ফুটবলের এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজংশে ব্যাটন হস্তান্তরের স্মারক। ফুটবল...
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের রোমাঞ্চকর ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে ইনজুরি টাইমে ফেরান তোরেসের অবিশ্বাস্য গোল স্প্যানিশ ফুটবলে নতুন ইতিহাস লিখেছে। ২০১০ সালে আন্দ্রেস ইনিয়েস্তার সেই ঐতিহাসিক জয়ের পর দেশকে...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর