বাবার স্বপ্ন পূরণ করতে পেরে আবেগে ভাসলেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট : ৩০ মার্চ ২০২২, ০৫:৫৩ পিএম

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বপ্ন দেখতেন, বাংলাদেশের দেশের কোনো মানুষ গৃহহীন, ভূমিহীন ও ঠিকানাবিহীন থাকবে না। সেই স্বপ্ন পূরণে স্বাধীনতার পরে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য গুচ্ছগ্রাম তৈরির কাজ শুরু করেন। 

পঁচাত্তরে সপরিবারে নিহত হবার কারণে সেই কাজ আর শেষ করে যেতে পারেননি বঙ্গবন্ধু। তবে তার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেই স্বপ্ন পূরণ করে যাচ্ছেন। লাখো লাখো ঠিকানা ও আশ্রয়হীন মানুষকে তিনি ঘর ও ঠিকানা দিয়েছেন, আগামীতে আরও দেবেন। 

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সেই স্বপ্ন পূরণ করতে পেরে সংসদে আবেগতাড়িত হয়ে কেঁদে ফেলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসব ঘর উপহার দেওয়াকে জীবনে সব থেকে আনন্দের দিন বলেও জাতীয় সংসদকে জানান তিনি।

বুধবার (৩০ মার্চ), জাতীয় সংসদে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য ফখরুল ইমামের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন প্রধানমন্ত্রী। সম্পূরক প্রশ্নে ফখরুল ইমাম প্রধানমন্ত্রীকে তার আনন্দের স্মৃতি বর্ণনা করতে অনুরোধ করেন।

জাতির পিতার লক্ষ্য পূরণ করাই একমাত্র কাজ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার লক্ষ্য মানুষকে উন্নত জীবন দেওয়া। ১৯৯৬ সালে সরকারে আসার পর থেকে ভূমিহীন মানুষদের ঘর তৈরি করে দিচ্ছি এবং পুনর্বাসন করে যাচ্ছি। আমরা শুধু ঘর দিয়ে বসে থাকছি না, ঘর দেয়ার পরে তাদের অর্থ দিচ্ছি, প্রশিক্ষণ দিচ্ছি। আয়ের পথও করে দিচ্ছি।

তিনি বলেন আরও বলেন, ১৫ আগস্টের পরে যে দুঃখ, কষ্ট, যাতনা ভোগ করতে হয়েছে আমার জীবনে, সেই দুঃখের মধ্য দিয়ে, বোঝা নিয়ে বাংলাদেশে ফিরে এসেছিলাম বাবার স্বপ্ন পূরণে।

ঘর উপহার দেয়ার পরে নিয়মিত খোঁজখবর নিচ্ছেন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার কার্যালয় এটা খুব ভালোভাবে মনিটরিং করে। কার্যালয়ের সচিব ও কর্মকর্তারা প্রায় যাচ্ছেন, তারা কেমন আছেন দেখছেন। দেখে আসার পরে আমাকে ছবি পাঠালো। 

দেখলাম ঘর পাওয়ার পরে মানুষের যে অনুভূতি। তারা ঠিকানা পেয়েছে, সেই আনন্দে তাদের কান্না, হাসি, বেদনা উপলব্ধি করলাম। সেদিন আমিও…। একটা মানুষ, একটা পরিবার- যারা একটা ঠিকানা পেয়েছে। ঘর পাওয়ার পরে তাদের জীবন পাল্টে গেছে। অভাব, দারিদ্র্য নেই। নিজের জীবনকে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছে।

আরও পড়ুন: রমজানে নিত্যপণ্যের দাম সহনীয় থাকবে, সংসদে প্রধানমন্ত্রী

তিনি বলেন, আমার জীবনে সব থেকে বড় আনন্দের দিন। একজন মানুষ, যার কিছু ছিল না, তাকে একটা ঘর দিয়ে তার মুখে হাসি ফোটাতে পেরেছি। এর থেকে বড় আনন্দের কিছু হতে পারে না। সেদিন আনন্দে চোখের পানি রাখতে পারিনি। আমি অঝোরে কেঁদেছিলাম। কারণ এটাই তো আমার বাবার স্বপ্ন ছিল। এ সময় আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন সংসদ নেত্রী। জলে চোখ ভিজে যায় তার। কিছু সময়ের জন্য গোটা সংসদে নেমে শ্রদ্ধাবনত নীরবতা।


একাত্তর/এসজে
দেশের টেক্সটাইল বা বস্ত্র খাতের বিদ্যমান নানা সমস্যা দ্রুত সমাধানের লক্ষে অর্থ উপদেষ্টা ও বাণিজ্যমন্ত্রীর সমন্বয়ে উচ্চপর্যায়ের একটি কমিটি গঠন করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে ফ্যাসিবাদ বিরোধী যুগপৎ আন্দোলনে শরিক নেতাদের উদ্দেশ্য বলেছেন, আমরা অতীতে একসাথে ছিলাম, আছি এবং একসাথেই থাকবো।
স্বাক্ষরিত জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে পালন করবে বিএনপি সরকার। যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের এমনটিই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
ফ্যাসিবাদ বিরোধী যুগপৎ আন্দোলনে শরিক নেতাদের সঙ্গে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
২০২৭ সালের জন্য বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজের তিনটি আলাদা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)। এতে সর্বোচ্চ প্যাকেজ খরচ প্রায় আট লাখ টাকা এবং সর্বনিম্ন প্যাকেজ খরচ পাঁচ লাখ...
বিএনপি উন্নয়নের কথা বলে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করছে এবং সংস্কারের কথা শুনলেই দলটির ‘গায়ে আগুন লেগে যায়’ বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় নেতারা। 
ভারতের জাতীয় প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা নিট-এর প্রশ্নপত্র ফাঁস ও শিক্ষা সংস্কারের দাবিতে উত্তাল আন্দোলনের মধ্যে অনশনরত বিশিষ্ট সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুকের সঙ্গে হাসপাতালে বৈঠক করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা।...
দেশের টেক্সটাইল বা বস্ত্র খাতের বিদ্যমান নানা সমস্যা দ্রুত সমাধানের লক্ষে অর্থ উপদেষ্টা ও বাণিজ্যমন্ত্রীর সমন্বয়ে উচ্চপর্যায়ের একটি কমিটি গঠন করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর