জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরী এমপি বলেছেন, বিশ্বকবির রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতি বিজড়িত কুষ্টিয়ার শিলাইদহ কুঠিবাড়ির ঐতিহ্য আমাদের গর্বের। কুঠিবাড়ি সম্পর্কে দেশ-বিদেশের মানুষের জানা ও গবেষণার গুরুত্ব অনুধাবন করে সরকার এর উন্নয়নে আরও কাজ করছে। সরকারের কাছে আমারও এমনই প্রত্যাশা।
রোববার (৮ মে/২৫ বৈশাখ) বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬১ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বিশ্বকবির স্মৃতি বিজড়িত কুষ্টিয়ার শিলাইদহ কুঠিবাড়িতে জাতীয় পর্যায়ে তিনদিন ব্যাপী অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

এদিন বিশ্বকবি রচিত জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। বিকেল চারটার দিকে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন জাতীয় সংসদের স্পিকার। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ এমপি। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন স্পিকার শিরিন শারমিন।
এর আগে স্পিকার কুঠিবাড়িতে পৌঁছে ঐতিহাসিক বকুল তলায় একটি বকুল গাছের চারা রোপণ করেন।
আলোচনা শেষে কুষ্টিয়া শিল্পকলা একাডেমিসহ প্রথম দিনে আটটি সাংস্কৃতিক সংগঠনের অংশগ্রহণে রবীন্দ্র সঙ্গীত, নাটক কবিতা প্রদর্শন হয়।
করোনার কারণে গত দুই বছর পর এবার এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত রবীন্দ্রপ্রেমি ও দর্শনার্থীরা বেশ খুশি। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহযোগিতায় অনুষ্ঠানমালার মধ্যে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ছাড়াও চলছে গ্রামীণ মেলা।
আরও পড়ুন: রবীন্দ্রনাথ আমাদের স্বাধীনতার চেতনা জুগিয়েছেন: খাদ্যমন্ত্রী
নিরিবিলি পরিবেশ, জমিদারি আর ব্যবসার কারণে বার বার কুষ্টিয়ার এই কুঠিবাড়িতে ফিরে আসতেন কবি গুরু। নিভৃত বাংলার প্রত্যন্ত অঞ্চল কুষ্টিয়ার শিলাইদহে কবির জীবনের বেশকিছু মূল্যবান সময় কেটেছে। এখানে বসে রচিত গীতাঞ্জলী কাব্যই রবীন্দ্রনাথকে এনে দিয়েছে নোবেল পুরস্কার আর বিশ্বকবির মর্যাদা। এছাড়াও তিনি এখানে বসেই অসংখ্য কালজয়ী সাহিত্য রচনা করেছেন।
একাত্তর/এসি
