দেশে মূল্যস্ফীতির সঙ্গে মিল রেখে শ্রমিকদের বেতন ততটা বাড়েনি বলে মন্তব্য করেছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।
বুধবার (০২ নভেম্বর) পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের কাছে এ মন্তব্য করেন।
পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, মূল্যস্ফীতি বাড়ার মূল কারণ তো আমাদের মনে রাখা উচিত। এটা আমাদের বাজারের ব্যর্থতা নয়। আমাদের বাজার এখন বিশ্ববাজারের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। অন্যান্য বাজারের চাপও আমাদের এখানে এসেছে।
তবে দেশের বর্তমান মূল্যস্ফীতিকে নিম্নআয়ের দেশের জন্য ‘ভালো’ বলে দাবি করেন তিনি।
সাংবাদিকদের মন্ত্রী বলেন, আইএলও দাবি করেছে উপকূলসহ দেশের কিছু জায়গা দাস প্রথার মত শ্রমিক খাটানো হয়। তাদের জানানো হয়েছে বাংলাদেশে জোড় করে কাউকে কাজ করানো হয় না। তবে এমন পরিবেশ তৈরি করা হয় বাধ্য হয়ে কম টাকায় কাজ করেন শ্রমিকরা।
মন্ত্রী বলেন, দেশে আট মাসের তুলনায় রেমিট্যান্স আসার হার সবচেয়ে কম। তবে আগামী মাসে এটা বাড়বে। আইএমএফ এর লোন পেলে অর্থনীতিতে কিছুটা স্বস্তির দিকে ফিরবে। লোনের ক্ষেত্রে আইএমএফ কোনো কন্ডিশন দিতে পারে না, পরামর্শ দিতে পারে।
আরও পড়ুন: ২০২৩ সালে সরকারি ছুটির তালিকা প্রকাশ
পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, জিডিপির হিসাব তিন মাস পর পর করার উদ্যোগ নেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
দেশে উচ্চ মূল্যস্ফীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সবাই তো বাজারে যায়, বিষয়টা এমন নয় আজকে দাম এক কালকে হঠাৎ আরেক হয়ে গেল। এমনিতেই তো কার্তিক মাসে ঘরে চাল কমে যায়। এটা নিয়মিত প্রক্রিয়া। মাসের শুরুতে পকেটে যেমন টাকা থাকবে, মাস শেষেও তেমন থাকবে- তা নয়। মাসের শেষ দিকে পকেটে অভাব থাকতেই পারে।
একাত্তর/এসি
