কর্ণফুলীর তলদেশে নির্মাণাধীন বঙ্গবন্ধু টানেলের একটি টিউবের কাজ শেষ হয়েছে। অন্যটির কাজও প্রায় শেষের দিকে।
আগামী ২৬ নভেম্বর ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল’র দক্ষিণ টিউবটির পূর্ত কাজের সমাপনী অনুষ্ঠান হওয়ার কথা রয়েছে। অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তবে দেশের প্রথম এবং দক্ষিণ এশিয়ার নদীর তলদেশে নির্মিত প্রথম সড়ক টানেলটি কবে থেকে যান চলাচলের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে দেয়া হবে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
বুধবার (১৬ নভেম্বর) প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী হারুনুর রশিদ চৌধুরী গণমাধ্যমকে জানান, টানেলের সামগ্রিক বাস্তবায়ন অগ্রগতি ৯৩ শতাংশ। দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্মাণ কাজ শেষের জোর চেষ্টা চলছে।
প্রসঙ্গত, তিন দশমিক ৩২ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের টানেলের টিউব দুটির দৈর্ঘ্য ২ দশমিক ৪৫ কিলোমিটার। একটির সঙ্গে অপর টিউবের দূরত্ব ১২ মিটারের মতো। প্রতিটি টিউবে দুটি করে মোট চারটি লেইন রয়েছে।
এর ‘সাউথ টিউব’ দিয়ে আনোয়ারা থেকে চট্টগ্রাম শহরে এবং উজানের দিকের ‘নর্থ টিউব’ দিয়ে চট্টগ্রামের নেভাল একাডেমির দিক থেকে আনোয়ারার দিকে যানবাহন চলাচল করবে।
কর্ণফুলী নদীর দুই তীরে চীনের সাংহাইয়ের আদলে ‘ওয়ান সিটি টু টাউন’ গড়ে তুলতে প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে সরকার। ২০১৫ সালে অনুমোদনের দুই বছর পর ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে কাজ শুরু হয়।
আরও পড়ুন: নির্বাচন নিয়ে মন্তব্য, জাপানি রাষ্ট্রদূতকে ডেকে বার্তা
বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ অর্থায়নে টানেল প্রকল্পের শুরুর দিকে ব্যয় ধরা হয়েছিল ৯ হাজার ৮৮০ কোটি টাকা। অনুমোদনের দুই বছর পরে ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে প্রকল্পের কাজ শুরু হলে ব্যয় বাড়িয়ে ১০ হাজার ৩৭৪ কোটি টাকা করা হয়। পাশাপাশি মেয়াদ বাড়ানো হয় এ বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত।
একাত্তর/আরএ
