বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) প্রতিবেদনের যাচাই-বাছাই শেষে বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিআইডিএস) জনশুমারি ও গৃহগণনার চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
এতে বলা হয়েছে, সরকারের চূড়ান্ত হিসাবে বাংলাদেশের জনসংখ্যা এখন ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
গতবছর ২৭ জুলাই জনশুমারি ও গৃহগণনার প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, দেশের জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৫১ লাখ ৫৮ হাজার ৬১৬ জন। সেই হিসাবে চূড়ান্ত ফলাফলে জনসংখ্যা বেড়েছে ৪৫ লাখ ৪১ হাজার ৮৬২ জন। চূড়ান্ত পর্যায়ে যোগ হয়েছে দুই দশমিক ৭৫ শতাংশ।
তার আগে ২০১১ সালের আদমশুমারি ও গৃহগণননায় দেশের জনসংখ্যা পাওয়া গিয়েছিল ১২ কোটি ৪৩ লাখ ৫৫ হাজার ২৬৩ জন।
সোমবার (৬ জানুয়ারি) রাজধানীর শেরে বাংলা নগর এনইসি সম্মেলন কক্ষে প্রকাশিত রিপোর্টের ওপর সেমিনারে এ তথ্য জানানো হয়।
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বিআইডিএসের মহাপরিচালক ড. বিনায়ক সেন। এতে অংশ নেন পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম, পরিকল্পনা বিভাগের সচিব সত্যজিৎ কর্মকার, পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব ড. শাহনাজ আরেফিন।
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ প্রকল্পের গবেষণা পরিচালক ইউনুস বিস্তারিত তুলে ধরে বলেন, জনশুমারি কাজ থেকে নেই। এর ধারাবিহিকতায় পিইসি রিপোর্ট প্রকাশ পেলো। এখানে যেভাবে ফলাফল এসেছে সেভাবে হয়েছে। শুমারি করতে চেষ্টার কোনো কমতি করিনি। ধাপে ধাপে দেশের প্রতিটি কর্নারে আমরা পৌঁছে গেছি। সবার সহায়তায় এটা করতে সক্ষম হয়েছি।
১৩৩টি রিপোর্টে দুইটি প্রকাশ করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এর পরে বাকিগুলো প্রকাশ করা হবে। পানির ব্যবহার, গৃহসহ নানা রিপোর্ট আলাদা আলদাভাবে কাজ করবো।
আরও পড়ুন: অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রিতে জরিমানাসহ কড়াকড়ি আরোপ
স্বাধীনতার পর ১৯৭৪ সালে দেশের প্রথম শুমারিতে জনসংখ্যা পাওয়া গিয়েছিল ছিল সাত কোটি ১৪ লাখ ৭৯ হাজার ৭১ জন। ১৯৮১ সালের শুমামিতে তা বেড়ে আট কোটি ৭১ লাখ ১৯ হাজার ৯৬৫ জন হয়। ১৯৯১ সালের শুমারিতে জনসংখ্যা দাঁড়ায় ১০ কোটি ৬৩ লাখ ১৪ হাজার ৯৯২ জনে।
একাত্তর/এসি
