দেশের প্রান্তিক মানুষদের স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া কমিউনিটি ক্লিনিকের বৈশ্বিক স্বীকৃতি মেলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মন্ত্রিসভার পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীকে এ অভিনন্দন জানানো হয়।
এসময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, গ্রামের মানুষ নৌকায় ভোট দেবে এটা ভেবে ২০০১ সালে ক্ষমতায় এসে কমিউনিটি ক্লিনিক বন্ধ করে দিয়েছিল বিএনপি।
জাতিসংঘে প্রথমবারের মতো মঙ্গলবার বাংলাদেশের কমিউনিটি ভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ক একটি রেজল্যুশন সর্বসম্মতিক্রমে গ্রহণ করা হয়।
এই রেজল্যুশনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অসামান্য উদ্ভাবনী নেতৃত্বকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে।
জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্ভাবনী কমিউনিটি ক্লিনিক মডেল গৃহীত হওয়ার মাধ্যমে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় আন্তর্জাতিকভাবে অনুকরণীয় রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের স্বীকৃতি মিলেছে বলে সরকারের তরফ থেকে বলা হচ্ছে।
বাংলাদেশের সব মানুষকে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার আওতায় আনার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৬ সালে প্রথমবারের মতো ক্ষমতায় এসে কমিউনিটি ক্লিনিক ভিত্তিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থা চালু করেন।
মানুষকে নিরবচ্ছিন্ন স্বাস্থ্য সেবা প্রদানের লক্ষ্যে সরকার এ পর্যন্ত সারা দেশে পাবলিক-প্রাইভেট অংশীদারিত্বে ১৪ হাজারেরও বেশি কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠা করেছে।
২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার ক্ষমতায় এসে কমিউনিটি স্বাস্থ্যসেবা বন্ধ করে দেয়। ২০০৯ সালে শেখ হাসিনা আবার ক্ষমতায় ফিরে এই সেবা পুনরায় চালু করেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে শুধু স্বাস্থ্যসেবাই নিশ্চিত হয়নি। এর মাধ্যমে মাতৃমৃত্যু ও শিশুমৃত্যুর হার কমেছে এবং মাতৃত্বকালীন সেবা পাচ্ছে।
এছাড়া গ্রামে কর্মসংস্থান বিশেষ করে নারীদের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কমিউনিটি ক্লিনিক বড় ভূমিকা রাখছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
শেখ হাসিনা বলেন, কমিউনিটি ক্লিনিকের অভিজ্ঞতা সবার সাথে বিনিময় করবে বাংলাদেশ।
তিনি আরও বলেন, কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোর গোড়ায় পৌঁছে গেছে। মানুষ বারবার ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছে বলেই দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে পারছি।
একাত্তর/আরবি
