প্রায় এক লাখ বাংলাদেশি কর্মীর মালয়েশিয়ান কলিং ভিসা হলেও এখনো পাননি দূতাবাসের ছাড়পত্র। তাদের অনেকেরই ভিসার মেয়াদ শেষ হবে এই মাসেই। গড়ে পাঁচ লাখ টাকা দিয়ে মালয়েশিয়া যেতে না পারার আশঙ্কায় আছেন এসব কর্মী।
এদিকে দূতাবাস বলছে, আটকে থাকা কোম্পানি অনুমোদনপত্রগুলো বেশিরভাগই ভুল তথ্যে ভরা। তাই অনুমোদন সম্ভব নয়।
আট মাস অপেক্ষা আর দুইবার মেডিক্যাল টেস্ট করার পর মালয়েশিয়া যাবার ই-ভিসা পেয়েছেন এক কর্মী। তিনি ভাগ্যবান হলেও তার সঙ্গের আরো অনেকেই মেডিক্যাল এবং কলিং ভিসার মেয়াদ শেষে এখন হতাশ।
মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ মিলে জটিল আট-দশটি ধাপ পার হবার পর মালয়েশিয়াগামী বিমানে উঠতে হয় একজন কর্মীকে। যেখানে মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, মানব সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়াও মালয়েশিয়াতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের অনুমোদন, মেডিক্যাল চেকআপ, কলিং ভিসা ই ভিসা রয়েছে।
এজেন্সি মালিক শিমুল আবেদ বলেন, আইনগতভাবে কোম্পানি পরিদর্শনের অনুমোদন না থাকলেও, মূল অনুমোদনের ক্ষমতা বাংলাদেশ দূতাবাসের।
বায়রা সভাপতি আলি হায়দার বলেন, অনুমোদন যার হাতেই থাক ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ। তাই মানবিক কারণে হলেও তাদের উচিত ছাড়পত্র দেয়া।
আরও পড়ুন: ‘শান্তিরক্ষা মিশনে ভূমিকা রাখতে বাংলাদেশ প্রতিজ্ঞাবদ্ধ’
প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় অবশ্য বলছে, যে আড়াই লাখ কর্মী যাবার অপেক্ষায় আছেন তারা সকলেই এ বছরের মধ্যে যেতে পারবেন।
বর্তমানে বাংলাদেশসহ বাকি ১৪ সোর্স কান্ট্রি থেকে নতুন কার্যাদেশ দেয়া বন্ধ থাকলেও, সেপ্টেম্বরে তা আবারো শুরু হতে পারে বলে আশা সংশ্লিষ্টদের।
একাত্তর/এসজে
