বুধবার রাত থেকেই ঢাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।
বৃহস্পতিবার সকালে চলমান বিদ্যুৎ সঙ্কটের সার্বিক পরিস্থিতি জানাতে গিয়ে এ তথ্য দেন তিনি।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী জানান, এস আলম গ্রুপের বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পরীক্ষামূলক সরবরাহ শুরু হয়েছে। এছাড়া জাতীয় গ্রিডে আবারও আদানি গ্রুপের বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হওয়ায় পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে।
প্রায় এক সপ্তাহ ধরে রাজধানীসহ সারা দেশে তীব্র গরমের সাথে পাল্লা দিয়ে বিদ্যুতের লোডশেডিং বেড়েছে। কয়লার অভাবে পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সঙ্কট তীব্র হয়।
নসরুল হামিদ জানান, ডলার সঙ্কটের কারণে যথাসময়ে কয়লা ও তেলের সরবরাহ নিশ্চিত করতে না পারায় এ সঙ্কট সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘ সময় একটানা বিদ্যুৎ দেয়ার সক্ষমতা থাকা বড় বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর জ্বালানি সরবরাহের অর্থ ছাড়ে দেরি হওয়ায় বিদ্যুৎ সঙ্কট বেড়েছিল যা সুরাহার পথে বলে জানান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী।
তিনি আরও জানান, পায়রা ও রামপালসহ বড় বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর জ্বালানি সংস্থানের পাশাপাশি তেলভিত্তিক ছোট বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর উৎপাদন বাড়ানোরও উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। পরীক্ষামূলকভাবে চালু হয়েছে বাঁশখালীর এসএস পাওয়ার প্ল্যান্ট। ভারতের ঝাড়খণ্ডে আদানি গ্রুপের বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়েছে। ফলে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির সার্বিক উন্নতি হয়েছে বলে জানালেন প্রতিমন্ত্রী।
আরও পড়ুন: যুক্তরাজ্যের ব্যবসায়ীদের তেল-গ্যাসে বিনিয়োগের আহ্বান রাষ্ট্রপতির
সরবরাহ বাড়ানোর পাশাপাশি বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর সঞ্চালন লাইনের চলমান কাজ দ্রুত শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের সরকারের দিক থেকে তাগিদ দেয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
একাত্তর/জো
