দুর্গাপূজা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় দীপাবলির কাউন্ট ডাউন। সেই অপেক্ষা শেষে কার্তিক মাসের কৃষ্ণপক্ষ তিথিতে হয় কালী পূজা। কার্তিক মাসের এই কালীপূজা শ্যামাপূজা নামেই অভিহিত। দীপাবলি অন্ধকারের ওপর আলোর বিজয়, মন্দের ওপর ভালোর এবং অজ্ঞতার ওপর জ্ঞানের প্রতীক।
এই দিন সনাতন ধর্মের মানুষরা ঘরে ঘরে ছোট মাটির প্রদীপ জ্বালেন। দীপাবলির অনুষ্ঠানে সারি-সারি প্রদীপের আলোতে স্বর্গের দেবতাকে গৃহে বরণ করে নেওয়া হয়। এই প্রদীপ জ্বালানো অমঙ্গল বিতাড়নের প্রতীক। উত্তর ভারতে দীপাবলির সময় নতুন পোশাক পরা, পরিবার ও বন্ধুবান্ধবদের মধ্যে মিষ্টি বিতরণের প্রথাও আছে।
দীপাবলি নিয়ে উপনিষদে বলা হয়েছে,
‘‘অসৎ হতে সত্যে নিয়ে যাও,
অন্ধকার হতে জ্যোতিতে নিয়ে যাও,
মৃত্যু হতে অমরত্বে নিয়ে যাও।
সর্বত্র যেন ছড়িয়ে পড়ুক শান্তির বার্তা।’’
রোববার সন্ধ্যা ঘনাবার সঙ্গে সঙ্গে চারদিকে দেখা যাবে আলোর ফোয়ারা। পঞ্জিকামতে, আজ সন্ধ্যায় দীপাবলি ও মঙ্গল শিখা প্রজ্বালন এবং দিবাগত রাতে শ্যামাপূজা।
উত্তর ভারতীয় হিন্দুদের মতে দীপাবলির দিনেই শ্রীরামচন্দ্র ১৪ বছরের নির্বাসনের পর অযোধ্যা ফেরেন। নিজের পরমপ্রিয় রাজাকে ফিরে পেয়ে অযোধ্যাবাসীরা ঘিয়ের প্রদীপ জ্বেলে সাজিয়ে তোলেন তাদের রাজধানীটাকে।
