সাইবার নিরাপত্তা, আন্তঃদেশীয় ও আন্তর্জাতিক অপরাধ প্রতিরোধে চীনের কাছ থেকে সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ।
সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে চীন সরকারের ‘গ্রেট ওয়াল কমোরেটিভ মেডেল’ হস্তান্তর অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এ কথা বলেন। ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন এ মেডেল হস্তান্তর করেন।
অনুষ্ঠানে সাংবাদিকরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে জানতে চান চীনের কাছে আমরা কী সহযোগিতা চেয়েছি- জবাবে মন্ত্রী বলেন, আমরা সবসময় সাইবার সিকিউরিটির বিষয়ে উদ্বিগ্ন আছি। আমরা ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম, আন্তর্জাতিক ক্রাইম এ সমস্ত ক্রাইম যাতে প্রতিরোধ করতে পারি সেগুলোর জন্য আমরা সবসময় সহযোগিতা চাচ্ছি।
আসাদুজ্জামান খান বলেন, তারা সবসময় আমাদের নিরাপত্তা বাহিনীকে প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছেন। এটা আরও দেয়ার জন্য এর পরিধি আরো বাড়ানোর জন্য অনুরোধ জানিয়েছি। তারা কনসিডার করেছেন যে, তারা আমাদের আরও ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করবেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ট্রেনিংয়ের জন্য আমাদের পুলিশ মহাপরিদর্শক এরই মধ্যে তালিকা তাদের হস্তান্তর করেছেন। আমরা আশা করি, তারা সেটি গ্রহণ করবে।
এসময় মন্ত্রী আরও বলেন, অনেক দেশ নির্বাচন নিয়ে অনেক মন্তব্য করেছে। কিন্তু আমাদের বন্ধু চায়না সরকার সবসময় বলেছে নির্বাচনটা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়। এ বিষয়ে আমাদের কোনো মন্তব্য নেই। বাংলাদেশই সিদ্ধান্ত নেবে, তারাই নির্বাচন পরিচালনা করবে।
তিনি বলেন, অনেক বিরূপ মন্তব্য অনেকে করেছেন, আমি মনে করি, তারা এখন বুঝে গেছেন সুন্দর ইলেকশন বাংলাদেশে হয়েছে, আন্ডার দ্য লিডারশিপ অব আওয়ার প্রাইম মিনিস্টার শেখ হাসিনা এবং আমাদের নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে।
এখন পর্যন্ত কোনো দেশ থেকে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়নি জানিয়ে আসাদুজ্জামান খান বলেন, তাই আমরা মনে করি একটি সুন্দর ইলেকশন জাতিকে উপহার দিয়েছে আমাদের নির্বাচন কমিশন। বিদেশ এবং আমাদের অন্যান্য প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে চমৎকার সম্পর্ক রয়েছে। আমি মনে করি, এটা আরও শক্তিশালী হবে। আপনারা দেখেছেন চীনের রাষ্ট্রদূত তাদের সাপোর্টটা কীভাবে আমাদের দিয়ে গেছেন।
চীনা রাষ্ট্রদূত এসময় বলেন, বাংলাদেশের নতুন সরকারকে স্বাগত জানায় চীন। ভবিষ্যতে বাংলাদেশের সাথে চীনের বন্ধুত্ব আরও বাড়বে। আগামী পাঁচ বছর বাংলাদেশ আরও এগিয়ে যাবে। বাংলাদেশের প্রতি চীনের সহায়তা অব্যাহত থাকবে।
